রবিবার, ২ অগাস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আন্দুলবাড়ীয়ায় বেড়েছে ছিঁচকে চোরের দৌরাত্ম্য

আতঙ্ক , প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী
  • আপলোড তারিখঃ ০২-০৮-২০২৬ ইং
আন্দুলবাড়ীয়ায় বেড়েছে ছিঁচকে চোরের দৌরাত্ম্য

জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নে দিনদিন ছিঁচকে চোরের উপদ্রব বেড়েই চলেছে। গত এক মাসে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কৃষিজমির সেচ সরঞ্জাম এমনকি মসজিদের যন্ত্রপাতিও চোরের হাত থেকে রক্ষা পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, জীবননগর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আবু-জাফরের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। একই সময়ে কাঁচামাল ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান মতি ও কৃষক লাল মিয়ার বাড়িতেও পৃথকভাবে চুরি সংঘটিত হয়েছে।


এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান (সোনা) এবং তার ভাই আশরাফুল ইসলাম ডাবলুর ড্রাগন ও পেয়ারা বাগান থেকে ফল চুরির অভিযোগ রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মির্জা হাকিবুর রহমান লিটনের প্রতিবেশী এস. এম. সাইফুল ইসলাম মুক্তির বাড়ি থেকেও পানির পাম্প মোটর চুরি হয়েছে বলে জানা যায়।


এছাড়া আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন পলাশ স্টোর, হাজী ট্রেডার্স, ভাই-ভাই কসমেটিকস, সুব্রত জুয়েলার্স, হৃদয়-অন্তর ট্রেডার্স, সম্রাট বীজ ভান্ডার, সজীব স্টোরসহ আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী।


স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু বাড়ি বা দোকান নয়, কৃষকদের স্যালো মেশিন, পানির পাম্প, বৈদ্যুতিক মোটর, ট্রান্সফরমারসহ কৃষিকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও চুরি হচ্ছে। এমনকি আন্দুলবাড়ীয়া বাজার জামে মসজিদের মাইকের যন্ত্রপাতিও চোরের কবল থেকে রক্ষা পায়নি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এলাকায় মাদকাসক্তি, জুয়া ও বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির কারণে অপরাধ প্রবণতাও বেড়েছে। তাদের দাবি, মাদকাসক্ত ও অপরাধপ্রবণ কিছু যুবক এসব চুরির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে তারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।


স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা দ্রুত পুলিশি টহল জোরদার, চোরচক্র শনাক্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও সচেতন এলাকাবাসী চুরি ও অপরাধ দমনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

বাড়ি ফেরা হলো না শিশু হাফসার