চুয়াডাঙ্গায় সাবেক স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে দুই পরিবারের মধ্যস্থতায় বিষয়টি থানাতেই মীমাংসা হয়। ভুক্তভোগী অভিযোগপত্রে জানান, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি তার বিয়ে হয় চুয়াডাঙ্গা সদরের দৌলতদিয়াড় দক্ষিণ পাড়ার মাসুদ রানার (৪২) সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই মাসুদ যৌতুকের জন্য তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। এছাড়া তার অজ্ঞাতেই স্বামী-স্ত্রীর একান্ত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন মাসুদ।
অত্যাচারের কারণে চলতি বছরের ৩০ জুন মাসুদকে তালাক দেন স্ত্রী। এরপর থেকে মাসুদ একাধিকবার তাকে হুমকি দেন এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, মাসুদ চরিত্রহীন ব্যক্তি। মোবাইলে আরও অনেক নারীর ব্যক্তিগত ছবি সংরক্ষিত রয়েছে। তালাকের পর স্ত্রীকে তাকে সেসব ছবি ডিলিট করতে বললেও তিনি অস্বীকৃতি জানান।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ মাসুদ রানাকে থানায় হেফাজতে নেয়। তবে পরে দুই পরিবারের সদস্যরা থানায় উপস্থিত হয়ে নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছান। এসময় থানা পুলিশের সদসরা সকলের সামনে তার মোবাইল থেকে সংশ্লিষ্ট ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলেন এবং ভবিষ্যতে এমন আচরণ আর করবেন না বলে মুচলেকা দেন। এরপর ভুক্তভোগী তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন।
এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা আইনগত প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছিলাম। তবে রাতে উভয় পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে বিষয়টি মীমাংসা করেন এবং অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন।’
সমীকরণ প্রতিবেদন