চুয়াডাঙ্গায় মোবাইল কিনতে এসে মোটরসাইকেলর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গুরুত্বর জখম হয়েছেন চাচা-ভাতিজা। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে চুয়াডাঙ্গা শহরের একাডেমিক মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। জখম দুজন হলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলার বলিয়ারপুর গ্রামের মৃত খাইরুল ইসলামের ছেলে আকরাম ইসলাম (১৫) ও তার চাচা রুমেলের ছেলে আবুজার (১৪)। তাদের মধ্যে গুরুতর জখম অবস্থায় আকরামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া সদর হাপসাতালে নিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। পরে সেখান থেকেও আকরামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড হয়।
জানা গেছে, নিজ মোটরসাইকেলযোগে আকরাম ইসলাম তার সমবয়সী চাচা আবুজারের সঙ্গে মোবাইল কেনার জন্য চুয়াডাঙ্গা শহরে আসছিলো। পথে একাডেমি মোড়ে পৌঁছালে হঠাৎ তাদের মোটরসাইকেলের সামনে একটি বাইসাইকেল চলে আসে। এসময় আকরাম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি বাড়ির গেইটের সঙ্গে দ্রুতগতিতে ধাক্কা দেয়। এতে আকরাম ও আবুজার দুজনেই গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে উদ্ধার করে হাপসাতালে নেয়।
ঘটনার প্রতক্ষদর্শী ফিরোজ বলেন, ‘হঠাৎ করেই মোটরসাইকেলের সামনে একটি বাইসাইকেল চলে এলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমার বাসার গেইটের সঙ্গে ধাক্কা দেয়। পরে আমরা স্থানীয়দের সাহায্যে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। তবে মোটরসাইকেলের চালকের অবস্থা গুরুতর তাকে পরিবারের সদস্যরা কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে।’
আকরামের প্রতিবেশী রানা বলেন, ‘আকরামের অবস্থা খুব একটা ভালো না। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে তাকে রাজশাহী রেফার্ড করে চিকিৎসক, কিন্তু আমরা দ্রুত সেবা পাওয়ার জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিই। সেভানে ভর্তির পর আকরামের অবস্থার আরও অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকায় রেফার্ড করে। রাত আটটার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে নেয়া হয়।’
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জেসমিন বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় জখম দুই কিশোর বেলা তিনটার দিকে জরুরি বিভাগে আসে। তাদের মধ্যে আকরামের জখম গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কেলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। অন্যজনকে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি রাখা হয়েছে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক