বাংলাদেশ ইসলামী যুব আন্দোলন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার দৌলতদিয়াড় তাসনীম নূর কমিউনিটি সেন্টারে যুব আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি মীর শফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ মারুফ শেখ। প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) এম এ হাসিব গোলদার। ইসলামী যুব আন্দোলন চুয়াডাঙ্গা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ জামাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি জনাব হাসানুজ্জামান সজীব, সহ-সভাপতি মাওলানা জহুরুল ইসলাম আজিজী, সেক্রেটারি প্রকৌশলী তুষার ইমরান সরকারসহ সহযোগী সংগঠনের জেলা নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনের প্রধান অতিথি মুহাম্মাদ মারুফ শেখ বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, তাদের কাছে দেশ ও জাতিকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তারা দেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে বেগমপাড়া গড়ে তুলেছে। জনগণের আস্থা তারা হারিয়েছে এবং তাদের আদর্শ নতুন করে দেখানোর কিছু নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুবকরা যখন আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর পথে সংগ্রামের চেতনায় উজ্জীবিত হয়, তখন তাদের কেউ পরাজিত করতে পারে না। সকল লুটেরা ও চরিত্রহীনদের বিরুদ্ধে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীদের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’
প্রধান বক্তা এম এ হাসিব গোলদার বলেন, ‘পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি ভোটারের ভোটের অধিকার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। জাতীয় সরকার গঠনের জন্য পিআর পদ্ধতির প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজনে আন্দোলনের মাধ্যমে পিআর সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হবে।’
সম্মেলন শেষে প্রধান অতিথি ২০২৫-২৬ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। এতে- সভাপতি নির্বাচিত হন মীর শফিউল ইসলাম, সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ জামাল উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাওলানা মারিফুল ইসলাম। গতকাল ইসলামী যুব আন্দোলন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক আব্দুর রহিম প্রেরিত এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ফাহিম ফয়সাল, মাওলানা আবু হুরাইরা, মাওলানা মারিফুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আব্দুর রহিম, হাবিবুর রহমান, মুফতি তাসনীম কাওছার, নাহিদুজ্জামান, আনারুল ইসলাম, হামিদুল হক, রাকিব হাসান শুভ, মাওলানা হানজালা হুসাইন, আরিফুল ইসলাম, মুফতি হাবিবুল্লাহ, মুস্তাকিম রহমানসহ থানা নেতৃবৃন্দ।
সমীকরণ প্রতিবেদন