‘জীবননগরের বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে গত ৪ নভেম্বর রাতের আধারে ১২২ বস্তা জৈব সার পাওয়ার টিলারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দেয় স্থানীয় জনতা। পরে খবর পেয়ে আমরা ইউনিয়ন পরিষদে যায়। এ সময় জানতে পারি, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার ও সহসভাপতি খাদেমুল ইসলাম খোকন এই সার নিয়ে কারসাজি করছিল। আমরা ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ এমন অপরাধ করলে তার বিচারের দাবি জানিয়েছিলাম। তবে অজানা কারণে বাশার আর খোকনের সঙ্গে আমাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যায়েন প্রতিবাদ করে বহিষ্কার হতে হলে আর কখনো তো কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
গতকাল বুধবার রাতে বাঁকা স্কুলপাড়ায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি (বহিষ্কৃত) আব্দুল খালেক ও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) মো. রাজা মালিথা।
লিখিত বক্তব্যে তারা আরও বলেন, ‘অন্যায় করেছেন দুজন। এলাকার সবাই প্রতিবাদ করেছে। ওই ঘটনার সময় এক হাজারের বেশি লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সবার সামনে প্রমাণ হয়েছে এ ঘটনার সঙ্গে বাশার আর খোকন জড়িত। আর এর পেছনে উপজেলা বিএনপির দুজন প্রভাবশালী নেতার ইন্ধন আছে। এ কারণে আমাদেরও বহিষ্কার করা হয়েছে বলে ফেসবুকে দেখছি। তবে আমাদের কাছে বহিষ্কারের কোনো চিঠি এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। ফেসবুকে প্রকাশ হওয়া বহিষ্কারে যারা চুরি করেছে এবং যারা প্রতিবাদ করেছে তাদের বহিষ্কারের কারণও একই উল্লেখ করা হয়েছে। আরমা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ফেসবুকের এই বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা রাজু আহম্মেদ, বাঁকা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আনোয়ার হোসেন, ইব্রাহীমসহ শতাধিক নেতা-কর্মী।
সমীকরণ প্রতিবেদন