আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় বিপুল হোসেন (২৫) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দমদমা গ্রামের আলমগীর হোসেন (৩৫), তার স্ত্রী মোছা. জাহান্নারা খাতুন (৩২) এবং মিনাজ উদ্দীন (৫০) দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ মাদক ট্যাপেন্ডাডল ও গাঁজা বিক্রি করে আসছিলেন। এলাকাবাসী একাধিকবার নিষেধ করার পরও তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে বিপুল তাদের মাদক বিক্রি করতে দেখে বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে লোহার রড ও কাঠের বাটাম নিয়ে বিপুলের ওপর হামলা চালায়। এতে তার বাম হাত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। উপস্থিত হাসান আলী, জাহিদুল ইসলাম ও সাইফুলসহ আরও অনেকে বিপুলকে উদ্ধার করে দ্রæত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ও তার স্ত্রী জানিয়েছেন, তারা মাদক বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাদের দাবি, হাসান ও বিপ্লব দীর্ঘদিন থেকে ব্যক্তিগত আক্রোশে হিংসা করে আসছে। আহত বিপুল আলমডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করেছে।
দমদমা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা মাদক ব্যবসা ও এর সঙ্গে জড়িত অপরাধ নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ নেব।’ তিনি এলাকাবাসীকে সহযোগিতার আহ্ববান জানিয়েছেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন