আলমডাঙ্গা নাগরিক উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে পাবলিক লাইব্রেরির সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে লাইব্রেরির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মেহেদী ইসলামের দপ্তরে আলমডাঙ্গা নাগরিক উন্নয়ন কমিটির প্রতিনিধি দল ও লাইব্রেরির সদস্যরা বৈঠকে বসেন।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গাবাসীর প্রিয় প্রতিষ্ঠান ‘পাবলিক লাইব্রেরি’ এক সময় অত্র অঞ্চলের পাঠকদের জন্য তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছিল। বই পড়া, পত্রিকার পাতায় মনোযোগী পাঠক এবং সাহিত্য আড্ডায় জমজমাট থাকতো লাইব্রেরিটি। তবে ২০১৯ সালে করোনা মহামারির প্রকোপ বৃদ্ধি পেলে কিছুদিন লাইব্রেরির কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এরপর লাইব্রেরির সামনের রাস্তা নির্মাণের সময় ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরবর্তীতে লাইব্রেরির কার্যক্রম শুরু হয়নি।
এদিকে, আলমডাঙ্গা নাগরিক উন্নয়ন কমিটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানটির পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং ধারাবাহিকভাবে লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করতে থাকে। গতকাল বিকেলে লাইব্রেরির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নাগরিক উন্নয়ন কমিটির প্রতিনিধি দল ও লাইব্রেরির সদস্যদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে লাইব্রেরি কার্যক্রম পুনরায় শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং নাগরিক উন্নয়ন কমিটি তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করে। বৈঠক শেষে উভয় সংগঠনের প্রতিনিধিরা লাইব্রেরির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা নাগরিক উন্নয়ন কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সহসভাপতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম পিণ্টু, সাহিত্য সম্পাদক প্রভাষক এ. কে. এম. ফারুক। এছাড়াও আলমডাঙ্গা পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শহীদ আজাহার উদ্দিন, সাবেক এমপি মকবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. মোল্লা আব্দুর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, প্রবীণ শিক্ষক আফিল উদ্দিন, শিক্ষক বাবুল বাহার উপস্থিত ছিলেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন