রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে শব্দদূষণ রোধে মানববন্ধন ও পথসভা

  • আপলোড তারিখঃ ২০-১২-২০২৪ ইং
চুয়াডাঙ্গায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে শব্দদূষণ রোধে মানববন্ধন ও পথসভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে ‘শব্দদূষণ বন্ধ করুন’ শীর্ষক এক মানববন্ধন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার মতো চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও শব্দদূষণ বন্ধ হচ্ছে না, বরং দিনে দিনে বাড়ছে। শব্দদূষণের ফলে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, বধিরতা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, কম ঘুম হওয়া, হৃদরোগসহ নানা রোগবালাই দেখা দিচ্ছে। স্বল্পমেয়াদী শব্দদূষণ মানসিক চাপ তৈরি করে। দীর্ঘমেয়াদি শব্দদূষণ শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি মানিক আকবর, সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট বদর উদ্দিন, দামুড়হুদা উপজেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন, মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক মুন্সী, উদীচী চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি হাবিবি জহির রায়হান, নিরাপদ সড়ক চাই চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সেলিম, বসুন্ধরা শুভসংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক শেখ লিটন, সদস্য জামান আখতার, কিশোর কুমার কুন্ডু, আনোয়ার হোসেন, কানিজ সুলতানা, শামিম আহমেদ বিপ্লব, আখতার আলী, বহুলুল হাসান প্রমুখ।

মানবন্ধনে মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক মুন্সী বলেন, সড়কের পাশে যাদের বসবাস কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তারা প্রতিনিয়ত শব্দদূষণে আক্রান্ত হচ্ছেন। ঘরে ঘুমিয়ে থেকেও শান্তি মিলছে না। বৈধতা নেই, এমন হর্ন অনেক যানবাহনে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ ব্যাপারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ দরকার।

বসুন্ধরা শুভসংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি মানিক আকবর বলেন, যথাযথ আইন থাকার পরও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে সরকারি উদ্যোগে অভিযান চললেও তা সন্তোষজনক নয়। শব্দদূষণের কুফল নিয়ে মানুষকে বলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। বিকট শব্দ করে সড়কে গাড়ি চলছে, মানুষ বিশ্রামে থাকার সময়ও উচ্চস্বরে বাজানো মাইকের শব্দে বিশ্রামে ছন্দপতন ঘটছে।
উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি হাবিবি জহির রায়হান বলেন, কোনো মাঠে কোনো জনসভা হলে মাঠে উপস্থিত লোকজন শুনতে পারবেন এমনভাবে মাইক বাজাতে হবে। তা না মেনে পুরো এলাকায় শত শত মাইক বেঁধে উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হয়। এসব কারণে মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি হচ্ছে।



কমেন্ট বক্স