চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এম সাইফুল্লাহ বলেছেন, জমিতে পরিমিত সার ব্যবহার করলে সংকট হবে না। সবার আগে আমাদের চাষিদের সুবিধার কথা ভাবতে হবে। চাষিদের সুবিধার জন্য সব ইউনিয়নে আলাদা আলাদা বিসিআইসি’র সার ডিলার দেয়া হয়েছে। একজন কৃষক প্রয়োজন অনুযায়ী সার চাইবে, তাদের সে অনুপাতে সার দিবেন। কোনো কৃষক যদি টিএসপি সার চায়, তাকে সেটা দিবেন। তাকে জোর করে অন্যান্য সার নিতে বাধ্য করা যাবে না। সরকার নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে সার বিক্রি করা যাবে না। এসব কাজ থেকে আপনারা দূরে থাকবেন। চাষিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা ফসলে অতিরিক্ত সার ব্যবহার করবেন না। যেটুকু প্রয়োজন জমিতে সেটুকু সার ব্যবহার করবেন। দেখবেন সার সঙ্কট অনেকটা কমে গেছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আফরিন বিনতে আজিজ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল, প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজীব হাসান কচি, কৃষক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম মনি, ডিলার সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আকবার আলী, সার ডিলার সামছুল আলম, ইকতিয়ার রহমান, আনছার আলী, হাফিজুর রহমান, আনোয়ারুল ইসলাম, রুবি খাতুন প্রমুখ। সভায় বর্তমান সার পরিস্থিতি, বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলার কর্তৃক ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার উত্তোলন ও সার ডিলারদের স্ব-স্ব ইউনিয়নে নিযুক্ত বিক্রয় কেন্দ্র চালু রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সমীকরণ প্রতিবেদন