আলমডাঙ্গায় স্মার্টফোন কিনে না দেওয়ায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে সামিয়া খাতুন (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের পারকুলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করে পুলিশ। সামিয়া পারকুলা কারিগরপাড়ার আলমসাধু চালক সাইদুল ইসলামের মেয়ে। সে পাইকপাড়া জনকল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে স্মার্টফোন কিনে দেওয়ার জন্য পরিবারের নিকট আবদার করে সামিয়া। তারা স্মার্টফোন কিনে দিবে না বলে জানায়। এ নিয়ে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কক্ষের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সামিয়া। এদিন দুপুরে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।
সামিয়ার বাবা সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। আলমসাধু চালিয়ে সংসার চলে। দুই মেয়ে এক ছেলের মধ্যে সামিয়া বড়। অল্প বয়সে স্মার্টফোন কিনে দিলে লেখাপড়া নষ্ট হয়ে যাবে বলে কিনে দিতে চাইনি।’
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শেখ গণি মিয়া বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন সংগ্রহ করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।
সমীকরণ প্রতিবেদন