রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আলমডাঙ্গার মাদারহুদা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি

  • আপলোড তারিখঃ ০১-০৯-২০২৪ ইং
আলমডাঙ্গার মাদারহুদা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি

আলমডাঙ্গার মাদারহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুল লেভেলের ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান্ট (স্লিপ) ফান্ডের ৭০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই টাকার কাজ না করে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের (এটিও) যোগসাজশে লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। আবার সেগুলো শিক্ষা অফিসে দাখিল করা হয়েছে স্কুল কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, গত ২০২১—২২ ও ২০২২—২০২৩ সালের স্লিপ ফান্ডের টাকার কাজ না করেই তৈরি করা হয়েছে ভুয়া ভাউচার। গতকাল শনিবার দুপুরে ওই প্রতিষ্ঠানের এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছা. দিলরুবা খাতুন বিল ভাউচার ও তথ্য দিতে রাজি হননি। তিনি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিও) বখতিয়ার হোসেনের কাছে ফোন ধরিয়ে দেন।
জানা গেছে, উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের মাদারহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০২৪—২৫ অর্থবছরে স্কুল লেভেলের ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান্ট (স্লিপ) ফান্ডে ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খাতুন কাজ না করে ভুয়া রশিদে টাকা আত্মসাৎ করেন। আত্মসাতের ওই টাকা ভাগাভাগি করে নেয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার বখতিয়ার হোসেন ও প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খাতুন। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের নিকট এমন অভিযোগে সরেজমিন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খাতুন বরাদ্দের ৭০ হাজার টাকার কোনো রশিদ দেখাতে পারেনি।
এ বিষয়ে মাদারহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বলেন, প্রধান শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটির মিটিং বাদেই তিনি এককভাবে ভুয়া রশিদ করে বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেন। তিনি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের ক্ষমতা ব্যবহার করেন। এমন ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন এলাকাবাসী।
মাদারহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খাতুন বলেন, ‘আমি সব কাজ করেছি। বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করিনি।’ তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নিকট বরাদ্দকৃত খরচের বিল ভাউচার দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেনি।
আলমডাঙ্গা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিও) বখতিয়ার হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন কথা বলেন। তবে তিনি বরাদ্দকৃত টাকা খরচের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।



কমেন্ট বক্স