রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগ নেতা কাবাসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম

  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০৮-২০২৪ ইং
চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগ নেতা কাবাসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম

চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ নেতা মিরাজুল ইসলাম কাবা এবং তার ভাই ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম নাণ্টুকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে চুয়াডাঙ্গা আদালতে হাজিরা দিতে গেলে একদল যুবকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন মিরাজুল ইসলাম কাবা। এরপর কাবাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। জরুরি বিভাগের সামনে আবারো কাবাকে মারধর করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। তখন কাবার ভাই নাণ্টুকেও কুপিয়ে জখম করে অজ্ঞাত যুবকরা। পরে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করে।

মিরাজুল ইসলাম কাবা বলেন, গতকাল সকালে কোর্টে মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে অজ্ঞাতনামা একদল যুবক আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালাই। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখানেও তারা এসে আমাকে কুপিয়ে জখম করে। আমার ভাই ঠেকাতে চেষ্টা করলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। রাতেই আমার ভাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমাকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ ঘটনায় আমি মামলা দায়ের করব।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আল-ইমরান জুয়েল বলেন, জরুরি বিভাগের ঢোকার আগেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে আমরা নিরাপদস্থানে চলে যায়। শুনেছি দুজনকে মারধর করা হয়েছে। তবে আমি তাদেরকে চিকিৎসা দিইনি। প্রশাসনের সহযোগিতায় তারা জরুরি বিভাগ থেকে পুরাতন ভবনের অপারেশন থিয়েটার রুমে নিয়ে গেছে বলে জেনেছি।

তবে এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের জুনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানুল হক তন্ময় বলেন, দুজনের শরীরে প্রাপ্ত জখম ধারালো অস্ত্রের আঘাত কি না জানি না। গুরুতর কি না সেটাও বলতে পারব না। যেহেতু জরুরি বিভাগ থেকে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। আমি খুলে দেখিনি। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকই বলতে পারবেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) হোসেন আলী বলেন, আদালত এলাকায় মারামারির ঘটনা ঘটেছে, আবার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগেও মারধর করা হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা দুটি স্থানই পরিদর্শন করেছি। তবে যাদেরকে মারধর করা হয়েছে, তাদেরকে আমরা পাইনি। এ ঘটনায় কেউ এখনো কোনো অভিযোগ বা মামলা করেনি।



কমেন্ট বক্স