আলমডাঙ্গা হাটবোয়ালিয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন করেছেনে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে সারাদেশের ন্যায় হাটবোয়ালিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিসে দুই দফার দাবিতে সর্বাত্মক কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মবিরতি পালন করেছে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় জরুরি বিদ্যুৎ সেবা চালু রাখা হয়।
এসময় হাটবোয়ালিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিসের ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিদ্যুৎ সেক্টরের ভূমিকা অপরিসীম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ সেক্টরকে আধুনিকায়ন পর্যাপ্ত জনবল সঠিক মানের মালামালের বিকল্প নাই। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় মাঠপর্যায়ে বাংলাদেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে প্রায় ১২ কোটি জনগণকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। বাস্তবিক এদের মাথার ওপর ছড়ি ঘুরিয়ে চলেছে পল্লী বিদুৎতায়ন বোর্ড। যারা বাস্তবে গ্রাহকের সাথে সম্পর্কিত না থাকায় গ্রাহক ভোগান্তির অনুধাবন করে না।
তিনি আরও বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। যেখানে একাধিকভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়ে থাকে। যেমন নিয়মিত কর্মচারী চুক্তিভিত্তিক কানামুনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় বড় বৈষম্য তৈরি করে রেখেছে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় কোনো বৈষম্যের ঠাঁই নাই। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সার্ভিস কোড এক করলে গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি হতে পারে। মাঠ পর্যায়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কোনো যোগাযোগ না থাকায় গ্রাহকের সুবিধা-অসুবিধা সম্বন্ধে জানতে পারে না।
তিনি বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিম্নমানের মালামাল ক্রয় করে গ্রাহকের ওপর বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গ্রাহক সর্বদাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে দায়ী করছে। নিম্নমানের মিটার ক্রয় করায় তিন থেকে চার বছরে মিটার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মিটার সাদা হয়ে যাচ্ছে আবার কখনো কখনো বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই কিছু মিটারে অটো পালস দিচ্ছে। যার কারণে গ্রাহক ভোগান্তি হচ্ছে। বর্তমানে মালামাল না থাকায় গ্রাহককে সঠিকভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের কর্মবিরতি গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করার জন্য, গ্রাহক সেবার সাথে সরকারি সম্পদ অপচয় রোধে।
সমীকরণ প্রতিবেদন