চুয়াডাঙ্গায় ইটভাটা শ্রমিক মো. শান্তর (১৬) মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন ও গ্রামবাসী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শহরের শহিদ হাসান চত্বর চৌরাস্তার মোড়ে এ বিক্ষোভ করেন তারা। এসময় শান্তর অস্বাভাবিক মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। এর আগে গত সোমবার রাতে সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামের হিমালয় অটো ব্রিক্সের একটি পুকুর থেকে শ্রমিক শান্তর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের দাবি, তাকে হত্যার পর পুকুরের পানিতে ফেলে রাখা হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের মর্গ থেকে শান্তর মরদেহ নিয়ে শহরের শহিদ হাসান চত্বরে বিক্ষোভ করেন স্বজন ও গ্রামবাসী। এসময় স্বজনরা বলেন, কিশোর শান্তকে হত্যার জন্য নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেয়া হতো। সোমবার সকালে সে ইটভাটায় কাজ করতে গিয়ে আর বাড়িতে ফেরেনি। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ওই ইটভাটার পেছনের গর্ত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এর রহস্য উদ্ঘাটন ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
পরে সেখানে মানববন্ধন করেন স্বজন ও গ্রামবাসী। এসময় পুলিশের আশ্বাসে গ্রামে ফিরে যান আন্দোলনকারীরা। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এটি হত্যাকাণ্ড কি না, এখনই নিশ্চিত নয়। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।
সমীকরণ প্রতিবেদন