চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার জালশুকায় পুকুর থেকে ইটভাটা শ্রমিক শান্ত (১৫) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। নিহত শান্ত শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। তবে তার মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে রহস্য। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে স্থানীয়রা জালশুকা গ্রামের হিমালয় ইটভাটা সংলগ্ন পুকুরে শান্তর লাশ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, শান্ত অন্যান্য দিনের মতো গতকাল ইটভাটায় কাজ করতে আসে। কাজ শেষে অন্য শ্রমিকেরা বাড়ি গেলেও সে ভাটায় থেকে যায়।
ইটভাটা শ্রমিক শান্তর মৃত্যুর বিষয়ে শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউল আলম বলেন, ‘শান্ত ইটভাটা শ্রমিক ছিল। তার সঙ্গে ভাটার অন্য কয়েকজন শ্রমিকের কোনো একটি বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল বলে জেনেছি। তবে কার সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল, পরিবারের সদস্যরা কেউ বলতে পারেনি। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছেন। সকালে (মঙ্গলবার) লাশের ময়নাতদন্ত হবে। আশা করছি, পুলিশ মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করবে।’
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিছুজ্জামান লালন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিক দৃষ্টিতে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
সমীকরণ প্রতিবেদন