মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনে ছাত্রদের উদ্বুদ্ধ করাতে চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্য দেন মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক মুন্সি। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবীণ হিতৈষী সংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও সিনিয়র সাংবাদিক অ্যাড. মানিক আকবর।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানুষের অসচেতনতার কারণে মরা পশুপাখি মাথাভাঙ্গা নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে বাড়ছে নদী দূষণ। জেলা শহরের বেশ কয়েকটা ড্রেনের মাধ্যমে নোংরা পানি নদীতে দেদারছে নামছে। এতে নদীর পানি দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়ছে। নদীর তীরে অবৈধভাবে পানবরজসহ বিভিন্ন প্রকার চাষাবাদ করা হচ্ছে। মাটি খননের কারণে তা ধুয়ে নদীতে নেমে নাব্যতা নষ্ট করছে। অবাক হলেও সত্য যে, নদীর বুক থেকে বালু উত্তোলন করে উপকারের বদলে ক্ষতিই ডেকে আনা হচ্ছে। কিছু স্থানে রয়েছে কোমর। তীরে কারেন্ট জাল দিয়ে নদীর স্বাভাবিক স্রোতের প্রতিবন্ধকতায় শুধু সৃষ্টি করা হচ্ছে না, ক্ষতিকারক ওই জালের কারণে ছোট-বড় মাছের পোনা রেণুও মারা পড়ছে। এসব থেকে পরিত্রাণে প্রশাসনের যেমন আশু পদক্ষেপ নিতে হবে, তেমন সর্বস্তরের সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও রক্ষা কমিটির উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে সচেতনতামূলক প্রচার অভিযান চলবে।
সমীকরণ প্রতিবেদন