দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছির লক্ষীচারা নামক শতবর্ষী বটগাছটি বয়সের ভারে মৃতপ্রায় অবস্থায় পরিণত হয়েছে। গাছটি কুড়ুলগাছির লক্ষীচারা মাঠের ৭ নম্বর বোরিং এর আওতাধীন। কে কোথা থেকে বটগাছটি এখানে রোপণ করেছে, তা কেউই বলতে পারে না। স্থানীয় প্রবীণরা ধারণা করেন, গাছটির বয়স ১০০ বছরেরও বেশি। এলাকার মানুষ গাছটিকে লক্ষীচারা নামেই জানে।
কুড়ুলগাছি গ্রামের ৮৬ বছর বয়সী প্রবীণ নজীর আহাম্মদ বলেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই বটগাছটি দেখে আসছি। অনেক স্মৃতি আছে এই গাছের তলায়। গাছটির বয়স কত হবে তা সঠিকভাবে বলতে পারব না। তবে আমার হিসাব মতে, ১০০ বছরেরও অনেক বেশি হবে গাছটির বয়স।’ তিনি বলেন, কোনো এক ব্যক্তি মানুষের বিশ্রামের জন্য গাছটি রোপণ করেন। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে মাঠের ক্লান্ত কৃষকদের বছরের পর বছর ধরে আশ্রয় দিয়েছে। গাছটি লক্ষীচারা নামে পরিচিত। তবে এখন এই গাছটির বেশিরভাগ ডালপালা ভেঙে গেছে। গাছটি যেন দিন দিন মৃত্যুর দিকে ছুটে চলেছে। গাছটিকে কালের সাক্ষী স্বরুপ টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন। বটগাছটি এখনও অনেকের স্মৃতি ধরে রেখেছে। অযন্ত ও অবহেলায় মানুষের নানামুখী অত্যাচারের কারণে ঐতিহ্যবাহী বটগাছটি আজ অস্তিত্ব সঙ্কটে।
সমীকরণ প্রতিবেদন