তিতুদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনপূর্বের সকল কার্যক্রম ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আর একটি মাত্র রাতের পর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক ভোট গ্রহণ। নির্বাচন নিয়ে এলাকার মধ্যে ব্যাপক উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর আবারও সেই আলোচিত মামা-ভাগ্নের লড়াই আবার শুরু হয়েছে এই নির্বাচনে। নির্বাচনে শুধুমাত্র দুটি প্যানেল অংশগ্রহণ করছে। ইতিপূর্বে দুপক্ষের মধ্যে ছোটখাটো সহিংসতাও ঘটতে দেখা গেছে।
তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকুর আলী প্যানেল এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান টিপু মিয়া প্যানেলের সদস্যরা ভোটারদের বাড়ি ছোটাছুটিতে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এ গ্রাম থেকে ওগ্রামে সকল ভোটারের সাথে নানা রকমের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বলে জানান বিভিন্ন অভিভাবকগণ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৫১৫ জন ভোটার নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন।
স্থানীয়রা জানান, তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেয়েও বেশি তোড়জোড় শুরু করেছে দুই প্যানেল। এখানে নিজেদের জিতিয়ে সম্মান টেকাতে এত কিছু বলে মনে করছেন অনেকে। এ বিষয়ে তিতুদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান টিপু বলেন, ‘বিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে অনেক কাজ করেছি আমি। বিদ্যলয়ের শিক্ষার মান বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভোটারদের অনেক সাড়া পাচ্ছি।’
এ বিষয়ে শুকুর আলী প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী শুকুর আলী বলেন, ‘আমি পুরো ইউনিয়ন উন্নয়নে যেমন কাজ করে যাচ্ছি, তেমন তিতুদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ আরও এগিয়ে নিতে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমি বিজয়ী হলে অবশ্যই শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষিত হতে পারবে।’
এ বছর নির্বাচনে শুকুর প্যানেলে মই মার্কায় তসলিমুজ্জামান (সাগর), হরিণ মার্কায় কামাল উদ্দিন, কলস মার্কায় আব্দুল লতিফ, মাছ মার্কায় শিলন মিয়া, সংরক্ষিত নারী সদস্য সাইকেল মার্কায় সাহারন খাতুন। এছাড়া মিজানুর রহমান টিপু প্যানেলে চেয়ার মার্কায় আব্দুল গফুর, মোরগ মার্কায় ফায়েজ আহমেদ, ছাতা মার্কায় কাবিল হোসেন, আনারস মার্কায় সেলিম হোসেন ও ফুটবল মার্কায় ফাহিমা খাতুন (সংরক্ষিত মহিলা সদস্য) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন