বাড়ির পাশেই মাঠ। শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দেয়া হচ্ছিলো ধানখেতে। খেলার সাথীদের সঙ্গে ওই মেশিনে পানি খেতে গিয়েছিল শিশু মরিয়ম। তাতেই ঘটে বিপত্তি। গলার ওড়না মেশিনের সাথে জড়িয়ে মৃত্যু হয় হয়। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ইফতারের পূর্বে জীবননগর উপজেলার যাদবপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশু মরিয়ম খাতুন (৭) উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমানের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ির পাশে মাঠের ধানখেতে শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দেয়া হচ্ছিল। ইফতারের পূর্বে শিশু মরিয়মসহ তার ৪-৫ জন খেলার সাথী শ্যালোমেশিনের পাইপে মুখ দিয়ে পানি খেতে যায়। এসময় গলার ওড়না মেশিনের চাকার সাথে পেঁচিয়ে মরিয়ম ঘুরপাক খেতে থাকে। কয়েক পাক ঘুরে দূরে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কুদ্দুস জানান, হাফিজুরের দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে মরিয়ম ছিল ছোট। একমাত্র আদরের মেয়েকে হারিয়ে কান্না যেন থামছেই না তার বাবা-মায়ের। ছোট্ট শিশুর এমন মৃত্যুতে গ্রামেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া। গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে যাদবপুর ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে শিশু মরিয়মের লাশের দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম জাবীদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সমীকরণ প্রতিবেদন