সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগরে মরা গরু জবাই করে বিক্রির অভিযোগ

  • আপলোড তারিখঃ ১৫-০৮-২০২২ ইং
জীবননগরে মরা গরু জবাই করে বিক্রির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগরে মৃত গরু জবাই করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার বেলা একটার দিকে জীবননগর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপুর গ্রামে জিন্নাতের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বেলা একটার দিকে লক্ষীপুর গ্রামের জিন্নাতের পোষা গরুর মৃত্যু হয়। সেই মৃত গরু জীবননগর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গুপলা শাহর ছেলে আকতার কসাই এবং মিণ্টু কসাইয়ের ছেলে কাদের কসাইয়ের কাছে বিক্রি করেন। তারা জিন্নাতের বাড়িতে মৃত গরুটি জবাই করে। পচা মাংসের গন্ধে এলাকার সাধারণ মানুষ জিন্নাতের বাড়িতে ছুটে এলে কাদের ও আকতার মাংস নিয়ে সেখান থেকে চলে আসে। কাদের কসাই তার ক্ষমতা দেখিয়ে পৌরসভা থেকে সিল না মেরেই ওই মাংস বাজারে বিক্রি করেছে। যা স্বাস্থের জন্য চরম ক্ষতিকর। এ বিষয়ে কাদের কসাইয়ের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো মরা গরু জবাই করিনি। গরুটা চাল খেয়েছিল, এ জন্য জিন্নাত আমাদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল।’ জীবননগর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামাল হোসেন খোকন বলেন, ‘লক্ষীপুর গ্রামে গরু জবাইয়ের বিষয় আমি কিছু জানি না। তবে কেউ যদি চুরি করে অসুস্থ বা মৃত গরু জবাই করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’ জীবননগর পৌরসভার স্যানেটারি ইন্সপেক্টর অজয় কুমার বলেন, জীবননগর পৌরসভার মধ্যে গরু জবাই করার জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে এবং গরু জবাই করার সময় পৌরসভার পক্ষ থেকে একজন লোক দেওয়া আছে। তিনি গরু বা ছাগল দেখে অনুমোদন দিলে তারপর জবাই করতে পারবে এবং জবাই শেষে মাংসে পৌরসভা থেকে একটি সিল মেরে দেওয়া হয়। লক্ষীপুর গ্রামে গরু জবাইয়ের বিষয়ে কেউ আমাদের বলেনি এবং পৌরসভার সিল ও মারা হয়নি। মৃত গরু জবাই করার যে অভিযোগ উঠেছে, এটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কাদের কসাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন মহলে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড