বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ

  • আপলোড তারিখঃ ২১-১০-২০২০ ইং
আগামী ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মেহেরপুর অফিস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, ঐতিহাসিক মুজিবনগর মহান স্বাধীনতার অন্যতম তীর্থস্থান। ঐতিহাসিক মুজিবনগরে আন্তর্জাতিকমানের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে প্রায় ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এসব কথা বলেন। পরে তিনি প্রস্তাবিত মুজিবনগর স্মৃতিকেন্দ্র স্থাপনবিষয়ক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, করোনার কারণে আমরা সঠিক সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করতে পারিনি। আমাদের যাচাই-বাছাই প্রায় সম্পূর্ণ করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যেই মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে পারবো। এসময় তিনি বলেন, আগের তালিকা থেকে ৫-৭ শতাংশ বাদ পড়তে পারে এবং নতুন করে কিছু সংযোজন হতে পারে। সেই সাথে যারা এ তালিকা থেকে বাদ যাবে তাদের আপিল করারও সুযোগ থাকবে। আমরা আগামী জানুয়ারী মাসের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। আর সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনও গঠন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক আরও বলেন, মুজিবনগরে স্মৃতিকেন্দ্র স্থাপনের জন্য আজকে জায়গা পরিদর্শন করবো। জমি অধিগ্রহণের জন্য আলোচনার ভিত্তিতে মুজিবনগরবাসীর চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কিভাবে কি করা যায়। তাছাড়া লেক কোথায় হবে, রাইডস কোথায় বসানো হবে সেকল কিছুর ম্যাপ আমাদের তৈরি করা হয়েছে। মূলত সেগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে ও জনগণের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী ১০দিনের মধ্যে যাতে আমরা চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে মে মাসের ১ তারিখের মধ্যে তালিকা প্লানিং কমিশনে পাঠাতে পারি সেই প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছি। ``এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিকবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাংস্কৃতিকবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বলেন, বর্তমান সরকার সাংস্কৃতিক বান্ধব সরকার। ইতিমধ্যে আমরা ১২ হাজার সাংস্কৃতিক কর্মীকে অনুদান দিয়েছি। কোভিড-১৯ এর পরবর্তী পর্যায়ে আমরা সারা দেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাংস্কৃতিক অঙ্গণ চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি। সব মিলিয়ে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি আমাদের সংস্কৃতির পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্বে মুজিবনগর স্মৃতিকেন্দ্র স্থাপনবিষয়ক পর্যালোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল কনফারেন্সে যোগ দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে মুজিবনগর স্মৃতিকেন্দ্র অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন হতে চলেছে। বিসিএস কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ এখানে আসবেন। নতুন প্রজন্ম মুজিবনগর এসে মুক্তিযুদ্ধকে উপলদ্ধি করবে। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জেনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাতে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করে, সেজন্য মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলে ধরতে অনুরোধ করেন। তিনি প্রকল্পে প্রযুক্তির ব্যবহারের উপরও গুরত্বারোপ করেন। এমসয় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহা. আনোয়ার হোসেন, স্থাপনা অধিদপ্তরের তত্বাবধায়ক আসিফুর রহমান ভুঁইয়া, মেহেরপুর পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ খালেক, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. ইব্রাহীম শাহীন, পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্য, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন সরকার প্রমুখ।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’