আলোচিত জোড়া খুনের রহস্য উন্মোচন
- আপলোড তারিখঃ
১৫-১০-২০২০
ইং
দামুড়হুদায় স্বামী-স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় মিঠুনের জবানবন্দী
প্রতিবেদক দামুড়হুদা:
বহুল আলোচিত দামুড়হুদার গোবিন্দপুর গ্রামের স্বামী-স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় একই গ্রামের মিঠুন (২৬) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দিয়েছেন। গতকাল দুপুর আড়াইটার দিকে দামুড়হুদা সিনিয়ার জুডিসিয়াল আদালতের বিচারক মানিক দাশের উপস্থিতিতে আসামী মিঠুনের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ইয়ার আলি ও তাঁর স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা ও এই হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল খালেক অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের ঈমান আলির ছেলে মিঠুনকে আটক করে। পরে তাকে চুয়াডাঙ্গা সিনিয়ার জুডিসিয়াল আদালতে হাজির করে। মিঠুন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করলে, বিচারক মানিক দাশ তার স্বীকারোক্তি রেকর্ড করেন। পরে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল খালেক জানান, ‘মিঠুনসহ কয়য়কজন মিলে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। এমনটি স্বীকার করে আদালতে তার স্বীকারোক্তি দিলে, বিজ্ঞ আদালত তার জবানবন্দি রের্কড করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও যারা জড়িত আছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর দামুড়হুদা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত এবাত আলীর ছেলে ইয়ার আলীকে (৫৫) নিজবসত ঘরের খাটের উপর এবং তার ২য় স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে (৪৫) ঘরের বারান্দায় থাকা অবস্থায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাদের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় মামলা হলে পুলিশ মিঠুনকে আটক করে।
কমেন্ট বক্স