গর্ভবতী না হয়েও মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলন!
- আপলোড তারিখঃ
১৩-০৭-২০২০
ইং
মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার জাহিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ
জীবননগর অফিস:
জীবননগরে গভবর্তী না হয়েও মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য জাহিমার বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবখালী গ্রামের মনিরুল ইসলামের স্ত্রী মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য জাহিমা খাতুন গর্ভবতী না হয়েও নিজের এনআইডি কার্ড, ভুয়া গর্ভবতীর কার্ড ও ভুয়া আল্ট্রাসনোগ্রাফির কাগজপত্র তৈরি করে মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা উত্তোলন করছেন। যা সাধারণ মানুষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
জীবননগর উপজেলা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে জাহিমা খাতুন মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা ০১৯৬১-৬৬০৭৩০ নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে প্রথমে ৯ হাজার ৬ শ টাকা, ৪ হাজার ৮ শ টাকা, ২ হাজার ৪ শ টাকা এবং সর্বশেষ ২ হাজার ৪ শ টাকা উত্তোলন করেন। ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই টাকা তুলতে পারবেন তিনি।
তথ্যনুসন্ধানে জানা গেছে, মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে জাহিমা মেম্বারের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে জাহিমা মেম্বারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন খান বলেন, জাহিমা মেম্বার যে সময় মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন, তখন তিনি গর্ভবতী ছিলেন এবং তিনি আল্ট্রসনোগ্রাফির কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। সে কারণে তাঁকে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড দেওয়া হয়েছিল।
জীবননগর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা সেলিম রেজার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, ‘মাতৃত্বভাতার কার্ড ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যাচাই-বাছাই করে আমাদের অফিসে দেয়। জাহিমা মেম্বারের বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে মাতৃত্বকালীন ভাতা নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, এটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কমেন্ট বক্স