স্বস্তির বৃষ্টিতেও কিছুটা অস্বস্তি!
- আপলোড তারিখঃ
০৯-০৭-২০২০
ইং
ভ্যাপসা গরমের পর চুয়াডাঙ্গায় বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল থেকেই ছিল প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম। দুপুরের দিকে জনজীবনে স্বস্তি নিয়ে আসে আষাঢ়ে বৃষ্টি। কখনো ঝিরিঝিরি, কখনো মুষলধারে নেমেছিল আষাঢ়ের এ বৃষ্টি। আবহাওয়া অফিস বলছে, বর্ষা মৌসুমে এবার এরকম বৃষ্টি হঠাৎ হঠাৎ করেই নামতে পারে। গতকাল দুপুর আড়াইটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, স্বস্তির এ বৃষ্টি কিছুটা অস্বস্তিরও জন্ম দিয়েছিল। বৃষ্টির কারণে অলি-গলিতে যেমন পানি জমেছে, ঠিক তেমনি দুপুরের পর থেকেই পথ চলতে ভোগান্তি হয়েছে সাধারণ মানুষের। দুপুর থেকেই বর্ষার মেঘলা আকাশ। সেই সঙ্গে শুরু হয় ভোগান্তি। সাধারণ মানুষ বৃষ্টিতে ভিজেই নিজ নিজ কাজ করে। এরপর থেকে সারা দিন থেমে থেমে চলছে ভারি বর্ষণ ও বজ্রপাত। বিকেলের পর বেড়ে যায় বৃষ্টির পরিমাণ। বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গায় ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
বিকেলের দিকে অফিস ফেরত চাকরিজীবীরা পড়েছিলেন মহাবিপদে। সকালে বৃষ্টি বা বৃষ্টি ভাব না থাকায় ছাতা আনেননি কেউ। চাকরিজীবী মিতু আক্তার বলেন, ‘অফিস ছুটি হয়ে গেছে। কতক্ষণ বসে থাকব। তাই বাধ্য হয়ে বৃষ্টির মধ্যেই অফিস থেকে বের হলাম। এখন ভিজে ভিজে বাসায় যাচ্ছি।’
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। দুপুর আড়াইটা থেকেই আকাশ ভারি মেঘে ঢেকে যায়। প্রথম দফায় প্রায় ২০ মিনিটের মতো মুষলধারে বৃষ্টি ও ঘণ্টাখানেক ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আবার কিছুক্ষণ থেমে থেমে বৃষ্টি এবং সন্ধ্যা ও রাতেও মুষলধারে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রাও কমে যায় খানিকটা।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ সামাদুল ইসলাম বলেন, আকাশে এখন আষাঢ়ে মেঘ। বৃষ্টি হচ্ছে এবং আরও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার আষাঢ় মৌসুমে বেশি বৃষ্টি হবে। এ ধরনের বৃষ্টি এই মাসে আরও হতে পারে। গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ৫৫ মিলোমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
কমেন্ট বক্স