বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কিলিং মিশনের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

  • আপলোড তারিখঃ ২১-০৬-২০২০ ইং
কিলিং মিশনের তিন সদস্য গ্রেপ্তার
চার বছর পর হরিণাকুণ্ডুর আনু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ঝিনাইদহ অফিস: পুলিশ ও পিবিআই দুই দফা তদন্ত করে ব্যর্থ হওয়ার চার বছর পর ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ঘোড়াগাছা গ্রামের মাঠে আনোয়ার হোসেন আনু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে সিআইডি পুলিশ। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া তিন হত্যাকারী। নিহত আনোয়ার হোসেন আনু হরিণাকুণ্ডুর কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের ভালকি গ্রামের মৃত. জবেদ আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারকৃতদের একজন হচ্ছেন কিসমত ঘোড়াগাছা গ্রামের মৃত. নফর আলী মণ্ডলের ছেলে সাহেব আলী। তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে কুষ্টিয়ার ইবি থানার অধীন উদয়পুর গ্রামে বসবাস করতেন। সাহেব আলীকে ঝাউদিয়া বাজার থেকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর স্বীকারোক্তি মোতাবেক সিআইডি পুলিশ গত বৃহস্পতিবার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কিছমত ঘোড়াগাছা গ্রামে অভিযান চালিয়ে একই গ্রামে আবুল মিয়ার ছেলে শাহিন কবির ঝলক (৩৮) ও ইসলাম বিশ্বাসের ছেলে রাশিদুল ইসলাম কুটিকে (৪৩) গ্রেপ্তার করে। সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে আনোয়ার হোসেন আনুকে গলাকেটে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পরদিন তাঁর স্ত্রী মোছা. বিউটি খাতুন বাদী হয়ে হরিণাকুণ্ডু থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে লিখিত মামলা করেন। মামলাটি তদন্তকালে পুলিশ কোনো আসামি বা মোটিভ ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি। ফলে ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট হরিণাকুণ্ডু থানার এসআই আসাদুজ্জামান আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট (FRT) দাখিল করেন। বাদী চূড়ান্ত রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজী দিলে আদালত ঝিনাইদহ পিবিআইকে মামলাটি পুনঃতদন্ত করতে নির্দেশ দেয়। পিবিআইয়ের এসআই ইসমাইল হোসেন এ মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিল তিনিও হরিণাকুণ্ডু থানার সম্পূরক চূড়ান্ত রিপোর্ট (FRT) দাখিল করেন। বাদী পুরনায় নারাজির প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টম্বর মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য আদালত ঝিনাইদহ সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। সিআইডির এসআই মাসুদ রানা একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর থেকে তদন্ত শুরু করেন। তিনি গোপনে ও প্রকাশ্যে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে মামলার রহস্য ও হত্যার সঙ্গে জড়িত তিন আসামিকে শনাক্ত করেন এবং গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতের নিকট সোপর্দ করেছেন। ক্লুলেস হত্যা মামলাটির তৃতীয় দফা দায়িত্বভার গ্রহণকারী তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাসুদ রানা জানান, মামলাটি তদন্ত করে হত্যার রহস্য উ˜্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। এরপর সন্দিগ্ধ আসামিদের ধরার জন্য সোর্স নিয়োগ করে সফলতা পায়। তিনি বলেন, এই মামলায় আরও অনেকেই সম্পৃক্ত আছে। তাঁদের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’