বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আবারও পূর্ণতা পেয়েছে ‘লকডাউন’

  • আপলোড তারিখঃ ১৬-০৫-২০২০ ইং
আবারও পূর্ণতা পেয়েছে ‘লকডাউন’
চুয়াডাঙ্গায় গণবিজ্ঞপ্তি জারির প্রথম দিনেই কঠোর প্রশাসন নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের পুনরায় দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল বন্ধের গণবিজ্ঞপ্তি জারির পর চুয়াডাঙ্গা শহরে আবার পূর্ণতা পেয়েছে লকডাউনের। পুরো শহরের পরিবেশ এখন নিস্তদ্ধ অবস্থায়। প্রশাসন কঠোর অবস্থায় থেকে দোকানপাট বন্ধসহ সব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে। পুনরায় গণবিজ্ঞপ্তি কার্যকরের প্রথম দিন এবং একই সঙ্গে গতকাল শুক্রবার হওয়ায় শহরে তেমন মানুষের চলাচল দেখা যায়নি। কিছু কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট খোলা পাওয়া গেছে। শহরে ঢোকার বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তায় থেকে পুলিশ রিকশা, ইজিবাইকসহ কোনো প্রকার অবৈধ যান ঢুকতে দেইনি। তবে মাঝে মধ্যে অলিগলি দিয়ে কিছু ইজিবাইক ও পাখিভ্যান চলাচল করেছে। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া সাধারণ মানুষের পায়ে হাঁটার চিত্রই বেশি দেখা যাচ্ছে। শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, শহীদ হাসান চত্বর, কোর্ট রোড এবং পুরাতন হাসপাতাল রোডের অবস্থাও প্রায় একই। গতরাতে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় হওয়ায় শহরের টাউনমাঠে স্থানান্তরিত কাঁচাবাজারটির অবস্থা নাজুক। টাউনমাঠে পানি জমে আছে। সে জন্য কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা আজ পুনরায় নিচের বাজারে বসেছে। সমবায় নিউ মার্কেট, বড় বাজার, আব্দুল্লাহ সিটি, আলী হোসেন মার্কেটসহ সবকিছুই বন্ধ ছিল। এদিকে, শহরে কঠোর অবস্থানে কাজ করছে প্রশাসন। সকালে নিউ মার্কেট ও পুরোনো গলিতে মানুষের ভিড় থাকায় পুলিশ তা নিয়ন্ত্রনে এ কথায় তাবড় দিয়েছে। কয়েকটি দোকান গোপনে খোলায় তাঁদেরকে জরিমানা এবং সাবধান করে দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা না মানায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন স্থানে ৫৭ হাজার ৬ শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলার বিভিন্ন স্থানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। একই সাথে পুলিশ এবং সেনাবাহিনীসহ আইন প্রয়োগকারি সংস্থাগুলোও কঠোর অবস্থানে ছিলো। অপর দিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পুনরায় বন্ধের গণবিজ্ঞপ্তি জারিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মানুষেরা। তাঁরা বলছেন, দোকানপাট খোলা থাকা অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছিল না। প্রচুর মানুষ একসাথে চলাফেরা করছিল। এতে গোষ্ঠি সংক্রমণের ঝুকি ছিল। তবে পুনরায় গণবিজ্ঞপ্তি জারির করে সবকিছু বন্ধ করে দেওয়ায় এখন শহরের পরিবেশ বেশ ভালো। আমরা সচেতন হলেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’