বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় ৬৬ জনকে প্রায় ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা

  • আপলোড তারিখঃ ১৩-০৪-২০২০ ইং
চুয়াডাঙ্গায় ৬৬ জনকে প্রায় ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা না মানায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬৬ জনের কাছ থেকে ৩৬ হাজার ৪ শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার (১৩ এপ্রিল) দিনব্যাপী চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলার বিভিন্ন স্থানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে, চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি দোকান, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ, জনসমাবেশ বন্ধ করা, বাজার মনিটরিং এবং সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে দিনব্যাপী সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। দিনব্যাপী চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান। তিনি একটি মামলায় ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১২ জনের কাছ থেকে ৫ হাজার ৫ শ টাকা আদায় করেন। সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৯ জনের কাছ থেকে ৪ হাজার ৮ শ টাকা আদায় করেন। দামুড়হুদা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহিউদ্দিন ৬ জনের কাছ থেকে ৭ হাজার ৫ শ টাকা আদায় করেন। আলমডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হুমায়ন কবির একজনের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিব্বির আহমেদ ২ জনের কাছ থেকে ২ হাজার ২ শ টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পপি খাতুন একজনের কাছ থেকে ৩ শ টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিবানী সরকার একজনের কাছ থেকে ২ শ টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন একজনের কাছ থেকে ৩ শ টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলাম একজনের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস ৫টি মামলায় ২ হাজার ৬ শ টাকা জরিমানা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ হোসেন ১৪ জনের কাছ থেকে ৭ হাজার ২ শ টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া মমতাজ ৪ জনের কাছ থেকে ৯ শ টাকা আদায় করেন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান ৮ জনের কাছ থেকে ২ হাজার ৩ শ টাকা আদায় করেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী