প্রথম দিনেই চিকিৎসা নিয়েছে তিন শতাধিক রোগী
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৩-২০২০
ইং
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের জরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নারে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনে চালু হওয়া জরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নারে প্রথম দিনেই চিকিৎসা নিয়েছে তিন শতাধিক রোগী। চুয়াডাঙ্গা সদর মডেল হাসপাতাল বাস্তবায়ন কমিটি ও সদর হাসপাতালের কমিউনিটি সাপোর্ট কমিটির যৌথ চেষ্টায় নতুন ভবনে চালু হওয়া জরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নারে চিকিৎসা পাচ্ছে এসব রোগী।
সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে করোনা মোকাবিলায় চুয়াডাঙ্গা সদর মডেল হাসপাতাল বাস্তবায়ন কমিটি ও সদর হাসপাতালের কমিউনিটি সাপোর্ট কমিটির যৌথ চেষ্টায় পুরাতন জরুরি বিভাগ স্থানান্তর করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনে। গত শনিবার বেলা দুইটা থেকে নতুন ভবনের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। গতকাল প্রথম দিনেই পরিচ্ছন্ন নতুন ফ্লু-কর্নারে চিকিৎসা নিয়েছে তিন শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু।
গতকাল রোববার সকালে সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের জরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নারের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কমিউনিটি সাপোর্ট কমিটির সভাপতি পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর মডেল হাসপাতাল বাস্তবায়ন কমিটির সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন দুলু, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির, তারা দেবী ফাউন্ডেশনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার প্রজেক্ট ডাইরেক্টর নূর মোহাম্মদসহ আরও অনেকে।
নতুন জরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নারের বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী বলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পুরোনো জরুরি বিভাগের সামনে আইসোলেশন ইউনিট থাকায় সাধারণ রোগীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। রোগীদের সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে ও করোনা মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের নতুন ভবনে জরুরি বিভাগ স্থানান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি চালু করা হয়েছে ফ্লু-কর্নার।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির বলেন, করোনা মোকাবিলায় চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ও পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরীর আন্তরিকতায় এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি দিলীপ কুমার আগরওয়ালার আর্থিক সহায়তায় নতুন ভবনে জরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নার চালু করা হয়েছে। রোগীরা নতুন ভবনের জরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নারে চিকিৎসা নিচ্ছে। নতুন ভবনের জরুরি বিভাগে রোগীদের বসার জন্য তিন সিটবিশিষ্ট ৮টি স্টিলের চেয়ার দিয়েছেন প্রকৌশলী মুজিবুল হক। রোগীরা নতুন ভবনের জুরুরি বিভাগ ও ফ্লু-কর্নারে স্বাচ্ছন্দ্যেই চিকিৎসা নিচ্ছে।
কমেন্ট বক্স