মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আটক, মুচলেকায় মুক্তি!

  • আপলোড তারিখঃ ০৯-০২-২০২০ ইং
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আটক, মুচলেকায় মুক্তি!
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোগীর ব্লাড স্যাম্পল ও টাকা নিয়ে প্রতারকের গাঢাকা নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্যাথলজিতে পরীক্ষার জন্য রাখা হাসপাতালে ভর্তি এক রোগীর ব্লাড স্যম্পল নিয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করিয়ে ৯০০ টাকা বিল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর হাসপাতলের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আবু তালেব (৫০) নামের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটেব বলে ওই রোগীর স্বজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেন। জানা যায়, গতকাল শনিবার সকালে নিয়মিত পরিদর্শনের সময় ডা. আবুল হোসেন আবু তালেবের সঠিক রোগ নির্ণয়ে ৫টি পরীক্ষা দেন। এরপর গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারের অহিদুল নামের এক প্রতিনিধি আবু তালেবের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা স্বল্পমূল্যে করে দেওয়ার কথা বলে তাঁর স্বজনদের নিকট থেকে ৯০০ নেন। পরবর্তীতে অহিদুলের কর্মকাণ্ডে রোগী আবু তালেবের স্বজনদের সন্দেহ হলে, তারা সঙ্গে সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় রোগী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান গতকাল সকালেই গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারের প্রতিনিধি পরিচয় দেওয়া অহিদুল খোঁজার নির্দেশ দেন। অহিদুলকে খুঁজে না পাওয়া গেলে গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক আনারুল ইসলামকে পুলিশ আটক করে। পরে গতকালই এ ধরণের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার শর্তে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয় গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক আনারুল ইসলামকে। এ ঘটনার পর থেকে অহিদুলকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরপরই সে গাঢাকা দেয়। অহিদুল এর পূর্বে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের রাত্রীকালিন সময়ে রোগীদের ইসিজি করার কাজ করতো বলে জানা গেছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবীর জানান, চুয়াডাঙ্গা পুরুষ ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আবুল হোসেন, আবু তালেব নামের এক রোগীর রক্ত পরীক্ষাসহ ৫টি পরিক্ষার জন্য পরামর্শ দেন। এরই প্রেক্ষিতে চুয়াডাঙ্গা শহরের বেসরকারী ডায়াগস্টিক গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারের অহিদুল নামের এক প্রতিনিধি আবু তালেবের সব পরীক্ষা স্বল্পমূল্যে করানোর নামে ৯০০ টাকা ও ব্লাড স্যম্পুল নিয়ে যায়। পরবর্তীতে এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সজাগ দৃষ্টি রাখবে বলেও জানান আরএমও। এদিকে, গতকালই পূণরায় এ ধরণের কজের সাথে জড়িত না হওয়ার লিখিত আপসনামায় মুক্তি দেয়া হয় গ্রীন লাইফ মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক আনারুল ইসলামকে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অহিদুলের কোন খোজ পাওয়া যায়নি।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী