শিক্ষাকে গতিশীল করতে ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই
- আপলোড তারিখঃ
২৯-০১-২০২০
ইং
কালেক্টরেট স্কুলে ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে ডিসি নজরুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪র্থ বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সকাল ৯টায় চাঁদমারি মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বেলুন উড়িয়ে চার দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ক্রীড়া আত্মবিশ^াস ও মনোবল বাড়ায়। সুস্থ ও সবল থাকতে পারলেই সৃজনশীল শিক্ষিত ও উন্নত জাতি তৈরী হবে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের প্রয়োজনে লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যাবলীতে অংশগ্রহণ ও অনুশীলনের প্রয়োজন আছে। শিক্ষাকে গতিশীল ও মননশীল করতে ক্রীড়া ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ায় যেমন অধিক মনোযোগী হতে হবে পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও পারদর্শি হতে হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে সুশিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরী করতে হবে। সেই জন্য বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকাও পালন করতে হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইয়াহ ইয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মনিরা পারভীন, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর সিব্বির আহমেদ, নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট শিবানী সরকার, হাবিবুর রহমান ও সুরাইয়া। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারি শিক্ষক উম্মে কূলসুম ও কামরুন্নাহার ইতি। পবিত্র কোরআন থেকে পাঠ করেন ধর্মীয় শিক্ষক হাসিবুর রহমান। খেলা-ধুলার প্রতিযোগীতা পরিচালনা করেন সহকারি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও উবাইদুল ইসলাম তুহিন। গতকাল মঙ্গলবার ও আজ বুধবার চাঁদমারি মাঠে মোট ১৪টি গ্রুপের ৪২টি ইভেন্টে খেলা-খুলার প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি স্কুল প্রাঙ্গনে ৪টি গ্রুপে ১২টি ইভেন্টে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে।
কমেন্ট বক্স