মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে

  • আপলোড তারিখঃ ১৩-০১-২০২০ ইং
প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভাগীয় কমিশনার ড. আনোয়ার হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘বাল্যবিবাহ ও মাদকের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা যাবে না। সমাজের ব্যধি বাল্যবিবাহ ও মাদককে শক্ত হাতে দমন করতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এগুলোকে পুরো নির্মূল করা সম্ভব। সমাজ থেকে সব প্রকার অপশক্তি রোধে আমাদের কাজ করতে হবে। নতুন প্রজন্ম যাতে বাল্যবিবাহ ও মাদকের গ্রাসে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাংলাদেশকে উন্নত করতে হলে আগামী প্রজন্মের সহযোগিতার প্রয়োজন। আগামী প্রজন্ম ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবে।’ গতকাল রোববার চুয়াডাঙ্গা জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, কাউকে পেছনে ফেলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীনের পরই অনগ্রসর, সুবিধাবঞ্চিত, হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নের বিষয়টি সাংবিধানিক রূপ দেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার স্বপ্ন এবং মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ‘দেশের প্রবৃদ্ধি যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাও দিন দিন উন্নত হচ্ছে। তাই বলা যায় প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে। দেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ধারাকে অব্যাহত রাখতে আমাদের মানবিক গুণাবলীর উন্নয়নে জোর দিতে হবে।’ সভায় সভাপতির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এ জেলায় মাদকের প্রবণতা একটু বেশি। প্রতিদিনই আমাদের কোনো না কোনো মাদক নির্মূল অভিযানে ব্যস্ত থাকতে হয়। একই সঙ্গে এ জেলায় বাল্যবিবাহের প্রবণতাও বেশি। প্রায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও একটা না একটা বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হয়। অভিযান চালিয়ে জেল-জরিমানাও করা হয়। তবে আশার বিষয়, দিন দিন বাল্যবিবাহ ও মাদকের পরিমাণ কমিয়ে আনা হচ্ছে।’ জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করা যাবে না। এ জেলার উন্নয়নে আমাদের এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।’ সভায় চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত। পুলিশ বিশ্বাস করে ‘সেবাই ধর্ম’। মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। কোনোভাবেই মাদকের সঙ্গে আপস নয়।’ সভায় চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর নিস্তার আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কানাই লাল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. শামিম কবির, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিটন আলী, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুনিম লিংকন, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, এনএসআইয়ের উপপরিচালক জামিল সিদ্দিক, জেলা জজ আদালতের পিপি বেলাল হোসেনসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী