সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্ব অপরিসীম
- আপলোড তারিখঃ
০৫-১২-২০১৯
ইং
চুয়াডাঙ্গায় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন ইমাম একটি পাড়া বা মহল্লার ধর্মীয় নেতা। ইমামরা কোনো কথা বললে, জুমার নামাজে খুৎবা দিলে মুসল্লিরা তা মন দিয়ে শোনেন। তাই ইমামদের উচিত মুসল্লি তথা জনগণের মধ্যে সত্য প্রচারের মাধ্যমে সঠিক পথে পরিচালন করা। একইভাবে পুরোহিত, সেবায়েতসহ অন্য ধর্মীয় প্রধানরা পারেন, নিজ নিজ ধর্মের মানুষের মধ্যে সত্যটা প্রতিষ্ঠা করতে।’ গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে সামাজিক সহিংসতা রোধ ও ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকা শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সব ধর্মের প্রধান কথা সত্য ও সুন্দর। তাই সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সত্য প্রচারের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জনগণের মধ্যে ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা বা বাণী পৌঁছে দিতে হবে। নিছক কোনো কথা বা গুজবের বশবর্তী হয়ে সহিংসতা, দাঙ্গা মোকাবিলায় সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গার উপপরিচালক এ বি এম রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, সব ধর্মের মূলমন্ত্র শান্তি। দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নাই। ধর্মের দাওয়াত দিতে হবে আন্তরিকভাবে। কেউ দাওয়াত গ্রহণ বা কবুল না করলেও ক্ষতি নেই। তবে কোনো জবরদস্তি করা যাবে না। ধর্ম সঠিকভাবে মানলে বিপথে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধর্মের প্রতি দুর্বল। ধর্মীয় কিছু ঘটলে আমরা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। যা পরিহার করা জরুরি।’
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম, পীর ত্বরিকত প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান সর্দার নকশবন্দিয়া, চুয়াডাঙ্গা ব্রাহ্মণ-পুরোহিত ঐক্য পরিষদের সভাপতি শ্রী বাবু লাল দোবে, দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর সহসম্পাদক হেমন্ত কুমার সিংহ রায় প্রমুখ।
কমেন্ট বক্স