মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কারণ দর্শাতে সহকারী পরিচালককে উকিল নোটিশ

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-১১-২০১৯ ইং
কারণ দর্শাতে সহকারী পরিচালককে উকিল নোটিশ
চুয়াডাঙ্গায় পাসপোর্ট ইস্যু করতে আইন অমান্যসহ মানহানির অভিযোগ নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা যুগ্ম ও জেলা দায়রা জজ আদালতের সেরেস্তাদার মো. নুরুল হকের পাসপোর্ট প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ উল্লেখ করে চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক রুবাইয়াত ফেরদৌসকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। চাকরিস্থলে হেয় প্রতিপন্নের শিকার হওয়া সেরেস্তাদার নুরুল হক কেন আইনের আশ্রয় নিবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিশপ্রাপ্তির পাঁচ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি জজকোর্টের আইনজীবী শাহ আলম প্রেরিত উকিল নোটিশে বলা হয়, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের সেরেস্তাদার নুরুল হক ১২ গ্রেডের সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্বেও তিনি অফিসিয়াল পাসপোর্ট প্রাপ্তির যোগ্য না বলে গত ১৮/০৩/২০১৯ইং তারিখে তাঁর সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করেন চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক রুবাইয়াত ফেরদৌস। তিনি জানান, আইন অনুযায়ী সরকারি চাকরি শুরু যাঁদের ৯ম গ্রেড থেকে ১ম গ্রেডের কর্মকর্তারা বা সরকারি চাকরিজীবীরা কেবলমাত্র অফিসিয়াল পাসপোর্ট পাবেন। কিন্তু চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত ১৬ গ্রেডের কর্মচারী ড্রাইভার মো. মোহন আলী বরাবর (১১/০৪/২০১৯ ইং), ১৯ গ্রেডের কর্মচারী জারীকারক মো. শাহাজাদা বরাবর (০৬/০৫/২০১৯ ইং), ২০ গ্রেডের কর্মচারী ফরাস মো. মিলন হোসেন বরাবর (১৫/০৫/২০১৯ ইং), ১২ গ্রেডের কর্মচারী নাজির মো. ওসমান গণি বরাবর (১৮/১০/২০১৬ ইং) ও ১২ গ্রেডের কর্মচারী কম্পিউটার অপারেটর মো. আব্দুল্লা-আল-মামুন বরাবর (১৮/১০/২০১৬ ইং) তারিখে অফিসিয়াল পাসপোর্ট ইস্যু করেছেন। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক রুবাইয়াত ফেরদৌস ১২ গ্রেডের কর্মচারীকে ‘অফিসিয়াল পাসপোর্ট পাওয়ার যোগ্য না’ বলে ভাগিয়ে দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করেছেন। অথচ একই আদালতে চাকরিরত যথাক্রমে ১৬, ১৯, ২০ ও ১২ গ্রেডের কর্মচারীদেরকে অফিসিয়াল পাসপোর্টের যোগ্য বিবেচনা করে তাঁদের বরাবর অফিসিয়াল পাসপোর্ট ইস্যু করেছেন। এ কাজে তিনি ১২ গ্রেডের এ কর্মচারীর কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণ করতে না পেরে অন্যদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণ করে তাঁদের বরাবর অফিসিয়াল পাসপোর্ট ইস্যু করেছেন। এতে আইন অমান্যসহ সেরেস্তাদার নুরুল হককে তাঁর চাকরিস্থলে হেয় প্রতিপন্ন এবং মানহানি করা হয়েছে। এ কারণে ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম কেন আইনের আশ্রয় নিবে না, তার কারণ দর্শাতে নোটিশ প্রাপ্তির পর পাঁচ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। গত ২৩/১০/২০১৯ইং তারিখে জজকোর্টের আইনজীবী শাহ আলম (হাইকোর্ট) স্বাক্ষরিত এক উকিল নোটিশ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী