মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

প্রথম ১০৮ জন যাত্রীকে নিসচার ফুলেল শুভেচ্ছা

  • আপলোড তারিখঃ ০২-১১-২০১৯ ইং
প্রথম ১০৮ জন যাত্রীকে নিসচার ফুলেল শুভেচ্ছা
চুয়াডাঙ্গায় ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’-এর যাত্রাবিরতিতে আনন্দ-উল্লাস বিশেষ প্রতিবেদক: রাজধানী ঢাকা ও দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের মধ্যে চলাচলকারী বিরতিহীন আন্তনগর ট্রেন ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ চুয়াডাঙ্গা ও দর্শনা রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি করেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকে উভয় পথের যাত্রীরা এসব রেলস্টেশন থেকে ওঠানামা করতে পারছেন। প্রথম দিনেই শতভাগ টিকেট বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা স্টেশন মাস্টার মিজানুর রহমান। আন্তনগর নতুন এ ট্রেনের যাত্রাবিরতির মধ্যে দিয়ে চুয়াডাঙ্গাসহ পাশের ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলাবাসী এবং দর্শনা পথে ভারতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের চলাচলে নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. আলমগীর হোসেন শুভকামনা জানিয়ে নিসচার পক্ষ থেকে প্রথম দিন চুয়াডাঙ্গা স্টেশনের ১০৮ জন ট্রেনযাত্রীকে রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ সময় নিসচার সাধারণ সম্পাদক হোসেন জাকির, সহসভাপতি মাবুদ সরকার, সহসাধারণ সম্পাদক শামীম আহম্মেদ বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. হানিফ উদ্দিন, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. রফিকুল ইসলাম, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক কানিজ সুলতানা, যুববিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, দুর্ঘটনাবিষয়ক সম্পাদক জামান আকতার, দপ্তর সম্পাদক মামুন অর রশিদ, নির্বাহী সদস্য আবু বকর সিদ্দিক, বিপু কুমার, জুলিয়াস আহমেদ সিয়াম ও সাইফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দিনে চুয়াডাঙ্গা থেকে ট্রেনের যাত্রী হিসেবে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান, আত্মবিশ্বাসের নির্বাহী পরিচালক একরামুল হক বিশ্বাস, দুদক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গার প্রথম আলোর প্রতিনিধি ও নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রধান উপদেষ্টা শাহ আলম সনি ও তাঁর পতœী রহিমা রমা, মেহেরপুরের প্রথম আলো প্রতিনিধি আবু সাইদ, কুষ্টিয়ার প্রথম আলো প্রতিনিধি তৌহিদ হোসেনসহ অন্যরা যাত্রী হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের জন্য মোট ১১০টি আসন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে শোভন চেয়ার ৯২টি, এসি কেবিনে চেয়ার ৮টি ও এসি চেয়ার ১০টি। ফিরতি পথে (ঢাকা থেকে) এসি বার্থ চারটি (ডাবল কেবিন), এসি চেয়ার ১০টি ও শোভন চেয়ার ৭০টি। এ ছাড়া দর্শনা থেকে ঢাকাগামী ও ফিরতি পথের যাত্রীদের জন্য শোভন ৭০টি ও এসি চেয়ার ৫টি রাখা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা স্টেশন মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, নতুন এ ট্রেন চালু হওয়ায় জেলাবাসী খুবই আনন্দিত। প্রথম দিনেই ১১০টির মধ্যে ১০৮টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। আরও টিকেট হলে সুবিধা হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও জানান, ট্রেনটি ঢাকায় যাওয়ার পথে ছাড়ার সময় বেলা ৩টা ২৬ মিনিটে এবং ফিরতি পথে রাজধানীর কমলাপুর থেকে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে সকাল ৬টা ৮ মিনিটে চুয়াডাঙ্গায় পৌঁছাবে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৭ জুলাই গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিরতিহীন ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ নামের এ নতুন ট্রেনটির উদ্বোধন করেন। সেই দিন থেকে ১২টি বগির ট্রেনটি সপ্তাহে ছয় দিন বেনাপোল-ঢাকা পথে চলাচল করে। ঢাকা অভিমুখে প্রতি বুধবার এবং ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে। ট্রেনটির মোট আসন ৮৭১টি। এর মধ্যে শোভন চেয়ার ৭৬৮টি, এসি চেয়ার ৮০টি ও এসি কেবিন চেয়ার ২৩টি। চুয়াডাঙ্গা নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখা ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা ও দর্শনা স্টেশনে যাত্রাবিরতী করার জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত আবেদন করে।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী