অবৈধ যান নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ, লাঠিয়াল বাহিনী নয়
- আপলোড তারিখঃ
১৬-০৮-২০১৯
ইং
চুয়াডাঙ্গার দৌলাতদিয়াড়ে সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়ক থেকে অবৈধ যান, নছিমন-করিমন, আলমসাধু, ইজিবাইক, পাখিভ্যান চলাচল বন্ধে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বাসচালক ও শ্রমিকেরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহরতলীর দৌলাতদিয়াড় তেল পাম্পের সামনের সড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে বাস রেখে অবরোধ করেন তাঁরা। দিনের ব্যস্ত সময়ে এ অবরোধের কারণে মুহূর্তেই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পুলিশের উপস্থিতিতে আধা ঘণ্টাও টিকতে না পেরে সড়কের ওপর থেকে বাস সরিয়ে নিয়ে সব প্রকার যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে দিতে বাধ্য হন অবরোধকারীরা। মূলত, দীর্ঘদিন যাবত চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়ক থেকে নছিমন-করিমন, ইজিবাইক, অটো-রিকশার চলাচল বন্ধে লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত এ অবরোধকারীদের। কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহল থেকে আসা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। আবারও একই দাবি নিয়ে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেন তাঁরা।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, ‘সড়ক অবরোধকারীদের হঠাতে পুলিশের সদস্যরা নিয়োজিত ছিল। এ বিষয়ে একটি স্থায়ী সমাধানে আসার জন্য আমরা বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক ইউনিয়ন ও ট্রাফিক বিভাগ সমন্বয়ে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশক্রমে চুয়াডাঙ্গা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কলিম উল্লাহ স্যারের নেতৃত্বে সদর থানায় আলোচনা করেছি। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে দৌলাতদিয়াড়ের ওই স্থানে শ্রমিক নামধারী কোনো ধরনের লাঠিয়াল বাহিনী থাকবে না। যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে যদি কোনো আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যার সৃষ্টি হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করবে জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ, শ্রমিক নামধারী লাঠিয়াল বাহিনী নয়। আমরা এ বিষয়ে সবাই একমত হয়েছি। সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ অবৈধ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে দৌলাতদিয়াড় এলাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের কর্মকা- পরিচালনা করবে।’
কমেন্ট বক্স