প্রধানমন্ত্রী আজ চীন যাচ্ছেন
- আপলোড তারিখঃ
০১-০৭-২০১৯
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন:
টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর আজ প্রথম চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা হবে। চীনের ডালিয়ানে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সভায়ও বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা। ‘সামার দাভোস’ নামে পরিচিতি পাওয়া এই সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজ, একাডেমি ও সাহিত্য-সংস্কৃতির ১৮০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। শেখ হাসিনার এই সফর তার গত মেয়াদের বেইজিং সফরের চেয়ে ভিন্ন হচ্ছে। ওই সফরে মূলত বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেয়া হলেও এবার রোহিঙ্গা ইস্যুকে প্রাধান্য দেয়া হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ৪ জুলাই চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি তুলবেন। বৈঠকে আমরা নিজেদের বক্তব্যগুলো তুলে ধরব। তাদের (চীন) ওপর আমাদের ভরসা আছে।' ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসতে শুরু করার পর থেকেই এই সংকট সমাধানে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র চীনের শরণ নেয়ার পরামর্শ আসছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'আমরা মনে করছি, এ বিষয়ে মনোভাবের পরিবর্তন হয়েছে। একসময় যারা এটার বিরোধিতা করেছে তারা আবার আমাদের বক্তব্যের কাছাকাছি এসেছে। তারা এখন আমাদের পক্ষে কথা বলছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন বড় মাপের কূটনীতিক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উনার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে, ৫ জুলাই তার সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।’ চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান লি ঝাংসুর সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টিতে শি জিনপিংয়ের পর দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তাকেই বিবেচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই বার্তাটি দেব যে, সমস্যার (রোহিঙ্গা) সমাধান না হলে এই অঞ্চলে অনিশ্চয়তা দেখা দেবে এবং এখানকার উন্নয়ন প্রচেষ্টার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। চীনের বাংলাদেশের পাশাপাশি মিয়ানমারেও বিনিয়োগ রয়েছে। এই বিনিয়োগ ঘিরে তাদের প্রত্যাশাও রয়েছে। বিষয়টি অমীমাংসিত থাকলে তাদের ওই প্রত্যাশায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
কমেন্ট বক্স