প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ
- আপলোড তারিখঃ
৩০-০৫-২০১৯
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন:
আজ ৩০ শে মে। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাতবার্ষিকী। দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ শে মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। তখন তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৫ বছর। শোকাবহ এই দিনটি স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি নিয়েছে বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনগুলো। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশেষ বাণী দিয়েছেন।
এদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ জিয়ার অম্লান আদর্শ, দর্শন ও কর্মসূচি আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং দেশীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির রক্ষাকবচ। চক্রান্তকারীরা যতই চেষ্টা করুক কোন ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ককে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিলেই তিনি বিস্মৃত হন না। বরং নিজ দেশের জনগণের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে অবস্থান করেন। তিনি বলেন, বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকার দেশে একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা ও নতুন কায়দায় পুরানো বাকশালকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। এমতাবস্থায় হারানো গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারে সকল গণতন্ত্রকামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মানুষের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার আপসহীন নেত্রী কারাবন্দি দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আবারও তাঁর নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। জাতীয় জীবনের চলমান সংকটে শহীদ জিয়ার প্রদর্শিত পথ ও আদর্শ বুকে ধারণ করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
উল্লেখ্য, জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম ছিল ‘কমল’। বাবা রসায়ণবিদ মনসুরুর রহমান ও মা গৃহিনী জাহানারা খাতুনের দ্বিতীয় ছেলে তিনি। বাবার চাকরির সুবাদে কলকাতা হেয়ার স্কুল ও দেশ বিভাগের পর করাচিতে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৩ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে কমিশন পান ১৯৫৫ সালে। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সাথে একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তার কোম্পানি যুদ্ধে সর্বোচ্চ খেতাব লাভ করে। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের জন্য তিনি নিজেও খেতাব এবং একটি পিস্তল উপহার পান। ১৯৬৬ সালে তিনি কাবুলে পাকিস্তান সামরিক একাডেমিতে ইন্সপেক্টর হন এবং একই বছর শেষদিকে কোয়েটা স্টাফ কলেজে যোগ দেন। ১৯৭০ সালের অক্টোবরে নবগঠিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্ব দিয়ে তাকে পাঠানো হয় চট্টগ্রামে।
কমেন্ট বক্স