সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

অনিশ্চয়তায় স্বরণী বিদ্যাপীঠের ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী!

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-০৫-২০১৯ ইং
অনিশ্চয়তায় স্বরণী বিদ্যাপীঠের ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী!
আকিমুল ইসলাম: রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম আর ভবিষ্যতের সবটুকু সহায় সম্বল বিক্রি করে তিলে তিলে গড়ে তোলা হয় এলাকাবাসীর স্বপ্নময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আরাফাত হোসেন স্বরণী বিদ্যাপীঠ। কিন্তু প্রচন্ড কালবৈশাখী থাবাই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে টিন শেডের স্কুলটি। এতে করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত শিক্ষা জীবন। নতুন করে ভবন নির্মাণের সামার্থ্য না থাকায় গাছতলাতে পাঠদান কিংবা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই। ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতসহ এলাকাবাসীর প্রাণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নতুন ভবন তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। জানা গেছে, গত পরশু বুধবার দিনগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার অন্যান্য স্থানের মতো কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে তিতুদহ ইউনিয়নের বড়শলুয়া গ্রামে। এসময় ঝড়ের তান্ডবে সম্পূর্ণভাবে উড়ে যায় গ্রামে অবস্থিত আরাফাত হোসেন স্বরণী বিদ্যাপীঠের টিনের তৈরী স্কুলঘরটি। ঝড়ের প্রচন্ড গতিতে স্কুল ঘরটি পুরো উড়ে গিয়ে পাশের জমি ও বাগানের মধ্য গিয়ে পড়ে। এসময় স্কুলে ঘরের টিনের বেড়া ও চালে দেওয়া সব টিন উড়ে যায়। নতুন করে স্কুল ঘর নির্মাণের সামর্থ্য না থাকায় অনিশ্চতার মুখে পড়েছে বিদ্যালয়ের ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ফারুক হোসেন জানান, আমার পিতার কাছ থেকে পাওয়া ও নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে যা কিছু ছিলো তাই দিয়ে প্রথমে বাড়ি বিক্রি করে বড়শলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠাতা করছিলাম। পরবর্তীতে এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে নিজ নামে থাকা ৪ বিঘা জমি বিক্রি করে ও আরো ৪ বিঘা জমির ওপরে ছোটভাই মরহুম আরাফাত হোসেনের স্মৃতি স্বরণে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাতা করেছিলাম। বিদ্যালয়ের জন্য প্রথমে নির্মাণ করা টিনের বেড়া দেওয়া ঘরটি ঝড়ে উড়ে যাওয়ার পর ১ বিঘা জমি বিক্রি করে আবারো ঘর নির্মাণ করি। এই বছর নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি পায়। কিন্ত এমন সময় বিদ্যালয়টি ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে মাটির সাথে মিশে গেল। আমার আর কিছুই নেই, যেটা বিক্রি করে আমি এই স্কুল ঘরটি পুনরায় তৈরী করতে পারবো। এখন সামনে বিদ্যালয়টি বন্ধ করে দেওয়া কিংবা শিক্ষার্থীদের গাছতলায় পাঠদানের ব্যবস্থা করা ছাড়া কোন পথ খোলা নেই। স্কুল ঘরটি নতুন করে নির্মাণ করার জন্য চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী