ঘুঁড়ি উৎসবে চৈত্র সংক্রান্তি, পহেলা বৈশাখে ভিন্ন আয়োজন
- আপলোড তারিখঃ
০৩-০৪-২০১৯
ইং
চুয়াডাঙ্গায় বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
নতুন কিছুর আশাকরি, প্রচেষ্টা থাকলে আয়োজন সফল হবে -ডিসি গোপাল চন্দ্র দাস
বিশেষ প্রতিবেদক:
বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আহ্বান করা হয়। জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে সভার শুরুতে সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় হতে প্রেরিত বার্তা ও পূর্বের কার্যবিবরণী তুলে ধরেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমদ।
উন্মুক্ত আলোচনায় মতামত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহা. কলিমুল্লাহ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মালিক, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কামরুজ্জামান, জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আলমগীর হান্নান, জেলা কালচারাল অফিসার জসিম উদ্দীন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মুন্সী জাহাঙ্গীর আলম মান্নান, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আফসানা ফেরদৌসি, মুকুল ফৌজ’র মুখপাত্র রাশেদা হাসনু আরা, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান, সাংবাদিক শাহ আলম সনি, ইসলাম রকিব প্রমুখ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বের আয়োজনের সঙ্গে বেশ কয়েকটি নতুন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরমধ্যে রয়েছে- এ বছর চৈত্র সংক্রান্তিতে অর্থ্যাৎ ৩০ চৈত্র চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ মাঠে ঘুঁড়ি উৎসব করা হবে। এতে অংশ নেবেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রধান, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। পরদিন পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহর কাটবে ঐতিহ্যবাহী বাঙালিয়ানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে। নাচে গানে নতুন সূর্যকে আবগাহন করা হবে সেদিন। শত কন্ঠে বাঁজবে ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’, ‘নব আনন্দে জাগো আজি নব রবি কিরণে’। তবে এ সকল আয়োজন আর শুধু মুকুল ফৌজ’র আয়োজনে ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে হচ্ছে না। এবার প্রথমবারের মতো জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্ত্বরে (নবনির্মিত) ডিসি সাহিত্য মঞ্চে বর্ষবরণের আয়োজন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় আয়োজক মুকুল ফৌজের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়াও বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান, বাঙালি খাবার পরিবেশন ও সপ্তাহ ব্যাপি বৈশাখী মেলার আয়োজন থাকবে।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, ‘সব সময়ই নতুন কিছুর আশাকরি। প্রচেষ্টা থাকলে আমাদের বাঙালিয়ানা আয়োজন সফল হবে। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে একে অপরকে দাওয়াত করবেন।’
কমেন্ট বক্স