সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পূরণ হয়নি লক্ষ্যমাত্রা : ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

  • আপলোড তারিখঃ ২০-০২-২০১৯ ইং
পূরণ হয়নি লক্ষ্যমাত্রা : ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা
কেরুজ চিনিকলের ২০১৮-১৯ মাড়াই মৌসুম কার্যক্রম শেষ দর্শনা অফিস: দর্শনার ঐতিহ্যবাহী কেরুজ চিনিকলের ২০১৮-১৯ মৌসুম শেষ হলেও পূরণ হয়নি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে আখেরী হুইসেল বাঁজিয়ে কেইন কেরিয়ারের চাকা বন্ধ করে ২০১৮-১৯ মাড়াই মৌসুমের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সমাপ্তি শেষে কেইন ক্যারিয়ার সংলগ্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানের মঙ্গল কামনা করে এক দোয়ার অনুষ্ঠান করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কেরুজ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাও. আব্দুল খালেক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দর্শনা কেরুজ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এনায়েত হোসেন, দর্শনা কেরুজ চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি তৈয়ব আলী, সাধারণ সম্পাদক মাছুদুর রহমান, সহসভাপতি ফারুক আহম্মেদ, সহসাধারণ সম্পাদক খবির উদ্দিন, কেরুজ চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মোশারফ হোসেন, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দিলীপ কুমার বিশ্বাস, ডিজিএম (ঋণ) গিয়াস উদ্দিন, ডিজিএম সম্প্রসারণ (কৃষি), উত্তম কুমার কু-ু, মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) আনোয়ারুল কবির, সেলস অফিসার শেখ শাহবুদ্দিন, এসিপিও (ইক্ষুক্রয়) মনিরুজ্জামান মনির, কেরুজ চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম প্রিন্স, শ্রমিক নেতা ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ, মোস্তাফিজুর রহমান, কেরুজ সিকিউরিটি ইন্সপেক্টর গিয়াস উদ্দিন পিনা প্রমুখ। ২০১৮-১৯ মৌসুমে কেরুজ নিজস্ব জমিতে ১ হাজার ৬৪৭ একরসহ সর্বমোট ৬ হাজার ৫৮৯ একর জমিতে আখ চাষ করা হয়। এর মধ্য ১শ’ কার্যদিবসে আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয় ১ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন। মাড়াইকৃত আখের গড় হার ধরা হয়েছিলো ৭ দশমিক। এ মাড়াই থেকে চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো ৭ হাজার মেট্রিক টন। সে মোতাবেক নির্ধারিত কার্যদিবসের ১শ’ দিবসের ১৯ দিন আগেই ৮১ দিনে মাড়াই কার্যক্রম শেষ হয়। অন্যদিকে উৎপাদনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু তার ধারের কাছেও পৌছাতে পারেনি কর্মকর্তাদের দেওয়া নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা। সেখানে ৩ হাজার মেট্রিকটন চিনি উৎপাদন কম করে ৪ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনে সক্ষম হয়। যেখানে চিনি আহরনের হার ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক সেখানে আহরনের হার দাড়িয়ে ৫ দশমিক ১৭। একাধিক সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাড়াই মৌসুমের ন্যায় এ মৌসুমেও কেরুজ জমিতে আখ পুড়ানোর মহড়া ছিল অব্যাহত। এছাড়া ২০১৮-১৯ মাড়াই মৌসুমে আখের পূর্জি বন্টনের সাথে মিল গেটে আখ সরবরাহ না হওয়ায় মাড়াই কার্যক্রমের ব্যাঘাত ঘটা, ছোট-খাটো যান্ত্রিক ত্রুটি হওয়ায় টার্গেট পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। আর এ সকল ত্রুটিগুলোকে কর্মকর্তাদের অদক্ষতার একমাত্র কারণ হিসাবে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে কেরুজ মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) আনোয়ারুল কবীর বলেন, আখ কমে যাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হম্ভব হয়নি। এমতাবস্থায় এলাকাবাসীর ধারণা প্রতিবারের ন্যায় এবার চিনিকলের লোকসান গুনতে হবে অনেক বেশি।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী