ইপেপার । আজবৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচারণার শেষ দিনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা

চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোড টাইম : ১০:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
  • / ২৭ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

দ্বিতীয় ধাপে আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ মে) চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী গতকাল রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত ছিল প্রচার-প্রচারণার শেষ সময়। এদিন ভোটের মাঠ চষে বেড়ান প্রার্থীরা। ঘোরেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। শেষ দিনে মিছিল, উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণসহ রাতে-দিনে জমজমাট প্রচারণা চালিয়েছেন প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনও ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আজ কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে নির্বাচনী সরঞ্জাম। তবে ব্যালট পেপার যাবে ভোটের দিন সকালে। এদিকে, যারা ভোট দিতে যাবেন, তার ভালো পরিবেশ চান। তবে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে যাবেন না বলে জানিয়েছেন। আর সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রে আসবেন কি না তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

একটি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৩ হাজার ৮৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৭ জন, নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার ৪০৮ জন ও ৪ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন। এবার চুয়াডাঙ্গা সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি, পরপর তিনবার নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আসাদুল হক বিশ্বাস (আনারস) প্রতীক, জেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুল হক (মোটরসাইকেল) প্রতীক, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার (ঘোড়া) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. মাসুদুর রহমান (গরীব রুহানী মাসুম) (টিউবওয়েল), জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান (চশমা), সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. মামুন-অর-রশীদ (তালা), মো. মিরাজুল ইসলাম কাবা (উড়োজাহাজ) ও মো. শামীম হোসেন (মাইক)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. সাহাজাদী মিলি (কলস), নুরুন্নাহার কাকলী (হাঁস) ও মাসুমা খাতুন (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আলমডাঙ্গা উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৫ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬০৫ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯৫ জন ও ২ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন। এবার আলমডাঙ্গা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. আইয়ুব হোসেন (দোয়াত-কলম), কে এম মঞ্জিলুর রহমান (মোটরসাইকেল), মো. জিল্লুর রহমান (ঘোড়া), মো. মোমিন চৌধুরী ডাবু (আনারস) ও মো. নুরুল ইসলাম (কাপ-পিরিচ) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য মো. মামুনার রহমান (বই), আহমেদ হাবিব খান (তালা), মো. আজিজুল হক (উড়োজাহাজ), মো. মকলেছুর রহমান (টিউবওয়েল), মো. সোহেল রানা শাহীন (পালকি), মো. মাসুম বিল্লাহ (মাইক), মো. আজিজুল হক (টিয়া পাখি) ও মো. মিজানুর রহমান (চশমা) এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা. কাজল রেখা (ফুটবল), মনিরা খাতুন (কলস) ও মারজাহান নিতু (হাঁস) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এদিকে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আর নির্বাচন উপলক্ষে দুটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিতীয় ধাপের আগামী ২১ মে চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর ধারা ১৭ (ক) (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচনী এলাকায় ভোট গ্রহণ পূর্ববর্তী ৭ দিন এবং ভোট গ্রহণের পরবর্তী ৭ দিন লাইসেন্সধারী অস্ত্রসহ চলাচল, অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। এ আদেশ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরেকটি গণবিজ্ঞপ্তিতে ২০ মে দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২১ মে দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। আর ১৯ মে দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২২ মে দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন এবং ওষুধ, স্বাস্থ্য চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন, আত্মীয়-স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাওয়া, বিমান বন্দর হতে যাত্রী বা আত্মীয়-স্বজনসহ নিজ বাসস্থানে অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন (টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন) এবং দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যেকোনো যানবাহন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট (যথাযথ নিয়োগপত্র/পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) এর জন্য একটি গাড়ি (জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি ছোট আকৃতির যানবাহন) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি প্রদান, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি প্রদান; এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি থাকলে চলাচল করতে পারবে।

চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাজমুল হামিদ রেজা বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করতে আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এই নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নিরপেক্ষ হবে। সোমবার আমরা নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠাবো। ভোটের দিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট যাবে। আমাদের প্রায় ২৪ থেকে ২৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভোটের মাঠে থাকবে। নির্বাচন পরিস্থিতি এখনো বেশ ভালো।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

প্রচারণার শেষ দিনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা

চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ কাল

আপলোড টাইম : ১০:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

দ্বিতীয় ধাপে আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ মে) চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী গতকাল রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত ছিল প্রচার-প্রচারণার শেষ সময়। এদিন ভোটের মাঠ চষে বেড়ান প্রার্থীরা। ঘোরেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। শেষ দিনে মিছিল, উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণসহ রাতে-দিনে জমজমাট প্রচারণা চালিয়েছেন প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনও ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আজ কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে নির্বাচনী সরঞ্জাম। তবে ব্যালট পেপার যাবে ভোটের দিন সকালে। এদিকে, যারা ভোট দিতে যাবেন, তার ভালো পরিবেশ চান। তবে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে যাবেন না বলে জানিয়েছেন। আর সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রে আসবেন কি না তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

একটি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৩ হাজার ৮৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৭ জন, নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার ৪০৮ জন ও ৪ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন। এবার চুয়াডাঙ্গা সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি, পরপর তিনবার নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আসাদুল হক বিশ্বাস (আনারস) প্রতীক, জেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুল হক (মোটরসাইকেল) প্রতীক, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার (ঘোড়া) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. মাসুদুর রহমান (গরীব রুহানী মাসুম) (টিউবওয়েল), জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান (চশমা), সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. মামুন-অর-রশীদ (তালা), মো. মিরাজুল ইসলাম কাবা (উড়োজাহাজ) ও মো. শামীম হোসেন (মাইক)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. সাহাজাদী মিলি (কলস), নুরুন্নাহার কাকলী (হাঁস) ও মাসুমা খাতুন (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আলমডাঙ্গা উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৫ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬০৫ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯৫ জন ও ২ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন। এবার আলমডাঙ্গা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. আইয়ুব হোসেন (দোয়াত-কলম), কে এম মঞ্জিলুর রহমান (মোটরসাইকেল), মো. জিল্লুর রহমান (ঘোড়া), মো. মোমিন চৌধুরী ডাবু (আনারস) ও মো. নুরুল ইসলাম (কাপ-পিরিচ) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য মো. মামুনার রহমান (বই), আহমেদ হাবিব খান (তালা), মো. আজিজুল হক (উড়োজাহাজ), মো. মকলেছুর রহমান (টিউবওয়েল), মো. সোহেল রানা শাহীন (পালকি), মো. মাসুম বিল্লাহ (মাইক), মো. আজিজুল হক (টিয়া পাখি) ও মো. মিজানুর রহমান (চশমা) এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা. কাজল রেখা (ফুটবল), মনিরা খাতুন (কলস) ও মারজাহান নিতু (হাঁস) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এদিকে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আর নির্বাচন উপলক্ষে দুটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিতীয় ধাপের আগামী ২১ মে চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর ধারা ১৭ (ক) (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচনী এলাকায় ভোট গ্রহণ পূর্ববর্তী ৭ দিন এবং ভোট গ্রহণের পরবর্তী ৭ দিন লাইসেন্সধারী অস্ত্রসহ চলাচল, অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। এ আদেশ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরেকটি গণবিজ্ঞপ্তিতে ২০ মে দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২১ মে দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। আর ১৯ মে দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২২ মে দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন এবং ওষুধ, স্বাস্থ্য চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন, আত্মীয়-স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাওয়া, বিমান বন্দর হতে যাত্রী বা আত্মীয়-স্বজনসহ নিজ বাসস্থানে অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন (টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন) এবং দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যেকোনো যানবাহন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট (যথাযথ নিয়োগপত্র/পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) এর জন্য একটি গাড়ি (জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি ছোট আকৃতির যানবাহন) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি প্রদান, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি প্রদান; এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি থাকলে চলাচল করতে পারবে।

চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাজমুল হামিদ রেজা বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করতে আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এই নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নিরপেক্ষ হবে। সোমবার আমরা নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠাবো। ভোটের দিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট যাবে। আমাদের প্রায় ২৪ থেকে ২৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভোটের মাঠে থাকবে। নির্বাচন পরিস্থিতি এখনো বেশ ভালো।