ইপেপার । আজবৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৮ বিঘা জমির ফসল কেটে তছরুপ করল দুর্বৃত্তরা

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৯:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেদক, মুজিবনগর:
মেহেরপুরের মুজিবনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষকের ৬ বিঘা জমির পেঁপে ও কলাবাগান কেটে তছরুপ করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার মহজমপুর গ্রামের নীল জাবাদের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল রোববার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে কৃষক গোলাম মোস্তফা তার বাগান তছরুপ করার বিষয়ে জানতে পারেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক গোলাম মোস্তফা একই গ্রামের ছহিতুল্লাহর ছেলে। এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাইরুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত বাগান দুটি পরিদর্শন করেন।
গোলাম মোস্তফা জানান, গ্রামের নীল জাবাদের মাঠে তিনি ২ বিঘা জমিতে পেঁপে ও ৪ বিঘা জমিতে কলা বাগানসহ আড়াই বিঘা জমিতে গ্রীষ্মকালীন বাঁধাকপি চাষ করেন। বাগানের প্রতিটি কলাগাছেই প্রায় পরিপক্ক কাঁদি ছিল। পেঁপে বাগান থেকেও ফল সংগ্রহ করা হচ্ছিলো। এরই মধ্যে গতকাল সকালে তিনি বাগান ও বাঁধাকপি খেত তছরুপের বিষয়ে জানতে পারেন। পরে মাঠে গিয়ে দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসলের বিনষ্ট অবস্থা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে ঋণ নিয়ে বাগান করেছিলাম। এই বাগান ও বাঁধাকপি খেত তছরুপ করায় এর থেকে যা আয় হতো, এখন খরচসহ অন্তত ১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন ঋণ পরিশোধ করতে পথে বসতে হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দুটি বাগানে বাগানের অসংখ্য কলারকাঁন্দি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। সারি সারি লাগানো পেঁপের গাছ গাছের মাঝখান দিয়ে কাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ইউএনও খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দুটি বাগানই পরিদর্শন করেছি। বাগান মালিককে লিখিত অভিযোগ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এই কৃষককে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে।’

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

৮ বিঘা জমির ফসল কেটে তছরুপ করল দুর্বৃত্তরা

আপলোড টাইম : ০৯:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

প্রতিবেদক, মুজিবনগর:
মেহেরপুরের মুজিবনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষকের ৬ বিঘা জমির পেঁপে ও কলাবাগান কেটে তছরুপ করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার মহজমপুর গ্রামের নীল জাবাদের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল রোববার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে কৃষক গোলাম মোস্তফা তার বাগান তছরুপ করার বিষয়ে জানতে পারেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক গোলাম মোস্তফা একই গ্রামের ছহিতুল্লাহর ছেলে। এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাইরুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত বাগান দুটি পরিদর্শন করেন।
গোলাম মোস্তফা জানান, গ্রামের নীল জাবাদের মাঠে তিনি ২ বিঘা জমিতে পেঁপে ও ৪ বিঘা জমিতে কলা বাগানসহ আড়াই বিঘা জমিতে গ্রীষ্মকালীন বাঁধাকপি চাষ করেন। বাগানের প্রতিটি কলাগাছেই প্রায় পরিপক্ক কাঁদি ছিল। পেঁপে বাগান থেকেও ফল সংগ্রহ করা হচ্ছিলো। এরই মধ্যে গতকাল সকালে তিনি বাগান ও বাঁধাকপি খেত তছরুপের বিষয়ে জানতে পারেন। পরে মাঠে গিয়ে দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসলের বিনষ্ট অবস্থা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে ঋণ নিয়ে বাগান করেছিলাম। এই বাগান ও বাঁধাকপি খেত তছরুপ করায় এর থেকে যা আয় হতো, এখন খরচসহ অন্তত ১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন ঋণ পরিশোধ করতে পথে বসতে হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দুটি বাগানে বাগানের অসংখ্য কলারকাঁন্দি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। সারি সারি লাগানো পেঁপের গাছ গাছের মাঝখান দিয়ে কাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ইউএনও খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দুটি বাগানই পরিদর্শন করেছি। বাগান মালিককে লিখিত অভিযোগ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এই কৃষককে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে।’