‘চুক্তি থেকে মুক্তি চাই, স্ব স্ব পদে স্থায়ীকরণ চাই’ স্লোগানে কেরু চিনিকলের প্রায় সাড়ে ৩০০ চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক-কর্মচারীরা স্বপদে স্থায়ী হতে ডিসি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে তারা চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
কেরু চিনিকলের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক ও কর্মচারী সমন্বয়ক মো. রাশেল আহম্মেদ ও মনিরুজ্জামান ধীরু সাংবাদিকদের জানান, ২০১০ সালে কেরু চিনিকলের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক ও কর্মচারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বয়স শিথিল করে স্থায়ীকরণ হওয়ার পর আর স্থায়ী হয়নি। তবে দুই বছর আগে চিনিকল বাদে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের সদর দপ্তরে ১০ জন চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীকে স্থায়ীকরণের কাজ করেছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন মিল এলাকায় চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক ও কর্মচারীরা শুধুমাত্র দিন হাজিরার মাধ্যমে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তারা অত্যান্ত দুঃখ-কষ্টে জীবনযাপন করছেন। প্রধান উপদেষ্টা বিষয়টি বিবেচনা করে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক কর্মচারীকে স্ব স্ব স্থানে বা পদে স্থায়ীকরণের ব্যবস্থা করলে পরিবারগুলো বাঁচবে।
এর আগে এদিন সকাল ১০টায় তারা কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান ও কেরুর শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমানের নিকট স্মারকলিপি তুলে দেন। এসময় তাদের প্রধান সমন্বয়ক রাশেল আহম্মেদ, যুগ্ম সমন্বয়ক মনিরুজ্জামান ধীরু, মহিদুর রহমান, চৌধুরি রাশেল আহম্মেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, তরিকুল ইসলাম, রবিউল রবি, মামুন, সোহেল, হামিদুল, সেলিম, মহুয়া মৌ, নাইমা আকতার, রুপা খাতুন, রেবেকা সুলতানা সাথী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন