দামুড়হুদায় অফিসের মধ্যে সাংবাদিককে লাঞ্ছিত, বহুল আলোচিত কৃষি কর্মকর্তা
- আপলোড তারিখঃ
২৮-০৯-২০২২
ইং
প্রতিবেদক, দামুড়হুদা: দামুড়হুদার বহুল আলোচিত-সমালোচিত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছে। এ মর্মে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ আদালতের একটি লিখিত আদেশ দামুড়হুদা মডেল থানায় এসে পৌঁছেছে।
জানা গেছে, গত ২৪ জুলাই দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি শামীম রেজা দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অফিসে পেয়াজ বীজের তথ্য চাইতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে অফিসের জানালা-দরজা বন্ধ করে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিয়ে লাঠিপেটা ও গালাগালিসহ হত্যার হুমকি দেন। ওই দিনই দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভোগী শামীম রেজা। ওই ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একজন সিনিয়র পুলিশ অফিসার নিয়োগ করে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করান। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তৌহিদুর রহমান ৫ সেপ্টেম্বর তদন্ত রিপোর্টটি বিজ্ঞ আদালত প্রেরণ করেন। চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জুডিশিয়াল আমলি আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি ১৯ সেপ্টেম্বর নথি গ্রহণ পূর্বক ৫০৬ পেনাল কোড ধারার অপরাধে আগামীকাল বৃহস্পতিবার কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে আদালতে হাজির হওয়ার সমন জারি করেন। যা দামুড়হুদা মডেল থানার এনএফআই আর প্রকিউশন নম্বর ১৬/২২ তারিখ ৫/৯/২২খ্রি.।
দামুড়হুদা মডেল থানার এএসআই দিরাজ আলী বলেন, ‘দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ স্যারের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞ আদালতের একটি সমন জারির জন্য আমাকে দায়িত্ব দেন। বিজ্ঞ আদালতের সমনটি হাতে পাওয়ার পরপরই আমি দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের নিকট জারি করি।’
উল্লেখ্য, কৃষি প্রণোদনার তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিক শামীম রেজাকে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অফিস কক্ষে আটকে রেখে লাঞ্ছিত করে নির্যাতনের ঘটনায় ফুঁসে ওঠে চুয়াডাঙ্গা জেলার সাংবাদিকরা। প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ, মানববন্ধন, কলমবিরতিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে তারা।
কমেন্ট বক্স