শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের চোখতোলা নামক স্থানে ডাকাতির প্রস্তুতি পুলিশ- ডাকাত বন্দুক যুদ্ধে ডাকাত নিহত, অস্ত্র ও বোমা উদ্ধার

  • আপলোড তারিখঃ ১৮-০৫-২০১৭ ইং
মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের চোখতোলা নামক স্থানে ডাকাতির প্রস্তুতি পুলিশ- ডাকাত বন্দুক যুদ্ধে ডাকাত নিহত, অস্ত্র ও বোমা উদ্ধার
`IMG_1347`গাংনী অফিস: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চোখতোলা নামক স্থানে পুলিশের সাথে ডাকাত দলের বন্দুক যুদ্ধে লালন হোসেন (৩০) নামের এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। বুধবার দিনগত রাত তিনটার দিকে গাংনী থানা পুলিশের টহলদলের সাথে এ বন্দুক যুদ্ধের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি সার্টার গান, এক রাউন্ড গুলি, দুটি বোমা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত লালন এ উপজেলার ঝোড়াঘাট গ্রামের জহির উদ্দীনের ছেলে। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী উপজেলার চোখতোলা নামক স্থানে ডাকাতরা সড়কের গাছ কেটে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় গাংনী থানা পুলিশের একটি টহল দল সেখানে পৌঁছুলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাকাতরা গুলি বর্ষণ করে। পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। শুরু হয় বন্দুক যুদ্ধ। পুলিশের প্রতিরোধের মুখে পিছু হটে ডাকাত দল। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি সার্টার গান, এক রাউন্ড গুলি, দুটি বোমা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করে। এদিকে বন্দুক যুদ্ধের সময় পুলিশের এসআই বখতিয়ার খালেদ ও কনস্টেবল আবদুল হক আহত হয়েছেন। তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল ১১টার দিকে নিহতের পিতা থানায় এসে লাশ সনাক্ত করেন। ওসি আরো জানান, লালন একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। লালনের বিরুদ্ধে গাংনীর যুবলীগ নেতা সাইদুর রহমান বেল্টু হত্যাসহ ৩টি হত্যা মামলা, একটি অপহরণ ও ২টি বিষ্ফোরকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।  পুলিশ- ডাকাত দলের বন্দুক যুদ্ধ ও ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় গাংনী থানায় মামলা করা হয়েছে । গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিডি দাস জানান, নিহত লালনের মাথা ও শরীরের কয়েকটি স্থানে গুলির দাগ রয়েছে। গুলিতে মাথা থেকে মগজ বের হয়ে গেছে। নিহত লালনের চাচা মহিউদ্দীন জানান, বছর তিনেক আগে লালন আত্মগোপন করে। ইতোপুর্বে সে ঢাকায় গিয়ে বিয়ে করে সেখানেই থাকতো।  সম্প্রতি লালন এলাকায় ফিরে আসলেও তার সাথে কারো দেখা হতো না।


কমেন্ট বক্স
notebook

আলমডাঙ্গায় ‘নিমগ্ন পাঠাগারে’ সেমিনার অনুষ্ঠিত