রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

হতাশার জালে বৃত্তবন্দি তিস্তা!

  • আপলোড তারিখঃ ১০-০৪-২০১৭ ইং
হতাশার জালে বৃত্তবন্দি তিস্তা!
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে বাংলাদেশের প্রাপ্তি অনেকটা শূন্য বলে মনে করেন রাজনীতিবিদসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন বাংলাদেশের এক নম্বর এজেন্ডা ছিল। কিন্তু এ নিয়ে কোনো চুক্তি সম্পাদিত না হওয়ায় এ সফরে বাংলাদেশের প্রাপ্তিকে নিষ্ফল দেখা ছাড়া গত্যন্তর নেই। তারা আরও মনে করেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দূর করা, টিপাইমুখে ভারতের বাঁধ নির্মাণ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা নিয়েও কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচনা হয়নি এ সফরে। এসব ইস্যু বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এককথায় বলতে গেলে, এ সফরে তিস্তা চুক্তি রয়ে গেছে হতাশার জালে বৃত্তবন্দি। আর প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক নিয়ে সবাই এক রকম অন্ধকারে। তাই এ বিষয়ে কৌতূহল আরও বাড়ছে। অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেছেন কেউ কেউ। তারা বলেন, পানিবণ্টন চুক্তি না হওয়ার বিষয়টি হতাশাজনক হলেও দু’দেশের সম্পর্ক আরও সুসংহত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারকার ভারত সফরের মধ্য দিয়ে। এ সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গতিশীল এবং বেগবান হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তারা প্রতিরক্ষা, পারমাণবিক, মহাকাশ, সাইবার ইস্যুতে বাংলাদেশ এবং ভারতের সমঝোতার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, আগামী বিশ্ব গড়তে এ চুক্তি এবং সমঝোতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার ঢাকা ত্যাগ করেন। প্রচলিত প্রথা ভেঙে নয়াদিল্লি পালাম বিমানঘাঁটিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এ সময় শেখ হাসিনার হাতে ফুল দেয়ার ছবি টুইট করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আমি অঙ্গীকারবদ্ধ।’ সফরের দ্বিতীয় দিন শনিবার ভারতের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন হায়দ্রাবাদ হাউসে দেশ দুটির প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ২২টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের সফরের অর্জন নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা বিশ্লেষণ থাকলেও তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় সবাই চরম হতাশা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রূপরেখাসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক নিয়ে অনেকে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে কেউ কেউ বলেন, যেহেতু বিষয়টি সম্পর্কে দেশের সবাই এক ধরনের অন্ধকারে রয়েছে তাই জনস্বার্থে সরকারের উচিত হবে এর পুরো বিষয়টি খোলাসা করা। এ ছাড়া অন্যান্য চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক নিয়ে বিশ্লেষকদের অনেকের মধ্যে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। কেউ কেউ মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, আণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, পরমাণু নিরাপত্তা ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণে কারিগরি তথ্য বিনিময় ও সহযোগিতার মতো সমঝোতা স্মারককে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখতে চান।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় প্রার্থনা অনুষ্ঠানে শরীফুজ্জামান