ইপেপার । আজরবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকির অভিযোগ

সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের কাজে বাধা

প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ:
  • আপলোড টাইম : ০৮:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪
  • / ২৭ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেড়াশুলা দাখিল মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের কাজে বাধা প্রদান করেন ক্লাস ফাঁকি দেয়া সহকারী শিক্ষিকার স্বামী শফিক আহমেদ।

স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বেড়াশুলা দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুর রহমান এবং সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি খাতুন সঠিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসেন না। তাপদাহের কারণে মাদ্রাসাটিতে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পাঠদান চলছে। তবে প্রধান শিক্ষক শফিকুর রহমান দেরিতে প্রতিষ্ঠানে আসেন এবং ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ইজিবাইক চালান। সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি খাতুনও নিয়মিত দেরিতে আসেন।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টায় সরেজমিনে মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষকরা অনুপস্থিত রয়েছেন। এক ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় শফিকুর রহমান এবং মুন্নি খাতুন সকাল ৯টা ২২ মিনিটে মাদ্রাসায় আসেন। এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক মুন্নির স্বামী শফিক আহমেদ তথ্য না দিয়ে কাজে বাধা প্রদান করেন এবং সাংবাদিকদের হুমকি দেন।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সভাপতি আলতাফ হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘শিক্ষক শফিকুর রহমান এবং মুন্নি ম্যাডামের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তারা দুজনেই দেরিতে আসে। আমি নিজে প্রতিষ্ঠানে এসে তাদের পাইনি এবং তাদের অনুপস্থিত দেখিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকির অভিযোগটি আমি দেখব। সেই সাথে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের কাজে বাধা প্রদান, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পরে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

ঝিনাইদহে মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকির অভিযোগ

সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের কাজে বাধা

আপলোড টাইম : ০৮:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেড়াশুলা দাখিল মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের কাজে বাধা প্রদান করেন ক্লাস ফাঁকি দেয়া সহকারী শিক্ষিকার স্বামী শফিক আহমেদ।

স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বেড়াশুলা দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুর রহমান এবং সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি খাতুন সঠিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসেন না। তাপদাহের কারণে মাদ্রাসাটিতে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পাঠদান চলছে। তবে প্রধান শিক্ষক শফিকুর রহমান দেরিতে প্রতিষ্ঠানে আসেন এবং ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ইজিবাইক চালান। সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি খাতুনও নিয়মিত দেরিতে আসেন।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টায় সরেজমিনে মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষকরা অনুপস্থিত রয়েছেন। এক ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় শফিকুর রহমান এবং মুন্নি খাতুন সকাল ৯টা ২২ মিনিটে মাদ্রাসায় আসেন। এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক মুন্নির স্বামী শফিক আহমেদ তথ্য না দিয়ে কাজে বাধা প্রদান করেন এবং সাংবাদিকদের হুমকি দেন।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সভাপতি আলতাফ হোসেন বিশ্বাস বলেন, ‘শিক্ষক শফিকুর রহমান এবং মুন্নি ম্যাডামের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তারা দুজনেই দেরিতে আসে। আমি নিজে প্রতিষ্ঠানে এসে তাদের পাইনি এবং তাদের অনুপস্থিত দেখিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকির অভিযোগটি আমি দেখব। সেই সাথে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের কাজে বাধা প্রদান, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পরে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন।