ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নফরকান্দি গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজন (২৭) নামের এক যুবককে পিটিয়ে জখম করেছে। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর থেকে আহত রাজন ডাকাতির খপ্পরে পড়ার নাটক সাজিয়েও পার পাইনি পুলিশে জেরায়। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে নাফরকান্দি মাঠে এঘটনা ঘটে। আহত রাজন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের নফরকান্দি গ্রামের ভাদু মন্ডলের ছেলে। পুলিশ ও নাম না প্রকাশ করার সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত গ্রামের জব্বারের স্ত্রীকে নিয়ে ঝামেলা হয় রাজন ও তার বন্ধুদের সাথে। এরই জের ধরে গ্রামে দুটি গ্রুপের মধ্যে মাঝে মাঝেই এঘটনা নিয়ে হাতাহাতি পর্যায়ে যেত। গত ২ দিন আগে এ বিষয়ে সদর থানায় একপক্ষ অভিযোগও করেছে বলে জানায় পুলিশ। এরই জেরধরে গতকাল জব্বার, কাশেমসহ কয়েকজন নফরকান্দির মাঠের মধ্যে রাজনকে পিটিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এবিষয়ে রাজন বলেন, আমি রাতে গতকালকের গরু বিক্রির বিয়াল্লিশ হাজার পাচ'শ টাকা নিয়ে জাফরপুর ভগ্নীপতির বাড়ি যাচ্ছিলাম। পরে নফরকান্দির মাঠের মধ্যে পৌছালে কয়েকজন আমার গতিরোধ করে। এবং আমাকে পিটিয়ে আমার কাছে থাকা নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে একই গ্রামের জব্বারের স্ত্রীকে নিয়ে ঝামেলার কথা প্রকাশ পেয়ে যায়। এরই জেরধরে প্রতিপক্ষ জব্বার, কাশেমসহ কয়েকজন রাজনকে মারধর করে বলে রাজন স্বীকার করে নেয়।
এবিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খান ডাকাতির ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, চেনা লোকে কখনো ডাকাতি করে? এটা পূর্ব শত্রুতা। এনিয়ে গতকাল থানায় একপক্ষ অভিযোগও করেছিল। তারপরেও আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।
