ছবির ক্যাপশন:
মহেশপুর প্রতিনিধি: এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃষি ফার্ম অবস্থিত ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার দত্তনগরে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর আলু নামের সোনার হরিণটি ধরতে মরিয়া দত্তনগরস্থ ঠিকাদার সিন্ডিকেট। বাজার মুল্যে ছাড়া তিনগুণ বেশি টাকা দিয়ে কাটা, ফাটা, বাকা, পচা, গুড়ি গুড়ি, পোকায় খাওয়া ও বীজের অযোগ্য আলু ক্রয় করলো ঠিকাদার সিন্ডিকেট। তথ্যনুসন্ধানে জানা যায়, এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বীজ উৎপাদন খামার ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দত্তনগরস্থ ৫টি খামারের অবীজ আলু বিক্রয়ে দরপত্র আহ্বান করে। যার দিন ধার্য্য ছিলো ২১শে মার্চ। প্রাপ্ত সূত্রমতে ৫টি খামারের বিভিন্ন জাতের অবীজ আলু নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয়। স্থানীয় ঠিকাদারগন এই আলু ক্রয় করতে যেয়ে সমসাময়িক বাজার ছাড়া দ্বীগুণ বা তিনগুণ মুল্যে দিয়ে আলু ক্রয় করে টেন্ডারবাজরা। বিএডিসির আলু নাকি দুষ্প্রাপ্য সোনার হরিণ। প্রাপ্ত সুত্রে জানা যায়, কাচা, ফাটা, পচার অন্তরালে আছে বীজ উপযোগী আলু। কর্তৃপক্ষের টার্গেটের অতিরিক্ত বীজ গোপনে ঠিকাদারদের মাধ্যমে আত্মসাতের মুল বৈধ পন্থা। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বঞ্চিত এক ঠিকাদার জানান, এক বস্তায় ১১০ বা ১২০ কেজি যাই হোক না কেন, হিসাব ধরা হয় ৫৫ কেজি। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে ঠিকাদার আব্দুল হালিম জানান, আমি এ আলু বীজ হিসেবে ক্রয় করি। ঠিকাদার দীপুর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দত্তনগর কৃষি ফার্মের উপপরিচালক জানান, পত্রিকায় না লিখে আমাদের সাথে দেখা করুন।
