ছবির ক্যাপশন:
এসএম শাফায়েত: স্কুলে যাওয়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ, স্কুলে গিয়ে থাকাও তেমন গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা যাতে স্কুলে গিয়ে অনন্দ পায়, তারা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে স্কুলের পরিবেশের সাথে মানিয়ে থাকতে পারে সে জন্য শিশুদের জন্য কিছু করা প্রয়োজন; তাদের নিয়ে একটু ভিন্নধর্মী চিন্তা করা সকলেরই দায়িত্ব। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারীর একান্ত চিন্তা ভাবনা ও পরিকল্পনায় গড়ে উঠেছে একটি রঙিন স্কুল/বিদ্যালয়। চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে কিলো ১০-১২ দূরত্বে সদর উপজেলাধীন বেগমপুর ইউনিয়নের প্রত্যান্ত গ্রামের নেহালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এটি। প্রতিটি স্কুলের মত এই স্কুলেও রয়েছে ক্লাসরুম, শিক্ষক-শিক্ষিকা, খেলার মাঠ, গাছ-গাছালি আরও কত কী। শিশুদের কলরবে মুখরিত স্কুলটিতে নতুন কিছুর প্রাণ সঞ্চার করেছেন শিক্ষানুরাগী ওয়াশীমুল বারী। সম্পূর্ণ বিদ্যালয়টি সবুজ রঙে রাঙিয়ে আলাদা ভাবে শোভা বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। বিদ্যালয়ের সামনের প্রাচীর জুড়ে রং তুঁলির আকিঁবুকি। রং-তুলি শিল্পী একেছেন জাতীয় শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতি সৌধ, গ্রামীণ সড়কে গরুর গাড়ীতে করে মালামাল নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। একেছেন রং ধনুর সাতরং, স্কুলগামী শিশুদের ছায়াছবি আর খেলাধুলার দৃশ্য। স্কুলে ঢোকার প্রধান ফটকে বাহারী ফুলের ছবিও দৃষ্টি কাড়বে যে কারো। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে একটি প্রশাসনিক ভবন ও একটি একাডেমিক ভবনের নাম দেয়া হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বেগম রোকেয়ার নামানুসারে। শিশুদের খেলাধুলার জন্য দেয়া হয়েছে একটি বেবি স্লাইডার রাইড। বিভিন্ন ধরণের ফুল ও ফলের গাছ রোপনের পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে যা শিঘ্রই বাস্তবায়ন করা হবে। তবে এসবের মূল ভাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারীর। এলজিএসপি-৩ (পিবিজি)’র অর্থায়নে এই রঙিন স্কুল/বিদ্যালয়টি গতকাল বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ। একই সাথে রঙিন স্কুল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল মিড ডে মিলের ব্যবস্থাও।
